জানাবেন, বরপক্ষের মা বরপক্ষের বাবাকে এবং সবশেষে বাবা বরের কানে বিষয়টি পৌঁছাবেন!
ডক্টর লুইস এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন: এই ধরণের ভিত্তিহীন লজ্জা রক্ষণশীল পরিবারগুলোতে এখনও এক ধরণের ‘প্রোটোকল’। এই সব নারীদের কাছে প্রয়োজনে স্বামীর সামনে স্পষ্ট যৌন আলোচনা করার চেয়ে ‘সংসারহীন’ পড়ে থাকাও সহজ মনে হয়। একজন তরুণী যে নিশ্চিত জানে যে সে এই লোকটির সাথেই সারা জীবন অতিবাহিত করবে এবং এক বিছানায় শোবে, সে কেন এমন একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে দ্বিধা করবে? বিশেষজ্ঞরা একমত যে, দাম্পত্য জীবনের সাফল্য বা ব্যর্থতার পেছনে এই পারস্পরিক বুঝপড়া সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
অভিজ্ঞতা বলে—স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যদি গভীর ভালোবাসা এবং তার প্রকাশ না থাকে, তবে তাদের পথ আজ হোক বা কাল আলাদা হতে বাধ্য, যার শেষ পরিণতি বিবাহবিচ্ছেদ। প্রায় প্রতিটি বিবাহবিচ্ছেদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কারণ হলো দাম্পত্য জীবনে অতৃপ্তি অথবা যৌন সমস্যাজনিত কারণে তৈরি হওয়া দূরত্ব।
ঋতুস্রাব শেষে পবিত্র হওয়ার পদ্ধতি
ঋতুস্রাব শেষে নারীর পবিত্র হওয়ার পদ্ধতিটিও শরীয়াহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত: আসমা বিনতু ইয়াসার (রা.) নবী (সা.)-কে ঋতুস্রাব পরবর্তী গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন:
“তোমাদের কেউ পানি ও সিদর (কুল পাতা) নিয়ে উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করবে (অযু করবে), অতঃপর মাথায় পানি ঢেলে খুব ভালো করে ঘষবে যেন তা চুলের গোড়া পর্যন্ত পৌঁছে। এরপর সারা শরীরে পানি ঢালবে। সবশেষে সুগন্ধি মাখা এক টুকরো তুলা বা কাপড় নিয়ে তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করবে।”
আসমা (রা.) আরজ করলেন: “তা দিয়ে কীভাবে পবিত্র হব?” নবী (সা.) বিস্ময়ভরে বললেন: “সুবহানাল্লাহ! তা দিয়ে পবিত্র হও!” তখন আয়েশা (রা.) তাকে মৃদুস্বরে বুঝিয়ে দিলেন: “রক্তের চিহ্ন যেখানে লেগে আছে, সেখানে ঘষে ঘষে সুগন্ধি ব্যবহার করো।” [কুতুবে সিত্তাহ]
এর মূল উদ্দেশ্য হলো সেই স্থানটি সুগন্ধিময় করা এবং ঋতুস্রাবের রক্তের দুর্গন্ধ দূর করে দেওয়া।
স্ত্রী ব্যতীত অন্যের সামনে সতর রক্ষা করা
ইসলাম মানুষের লজ্জা ও শালীনতাকে ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেছে। নিজের সতর বা গোপনীয় অঙ্গ রক্ষা করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা.) কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
সতর রক্ষার পরিধি ও নির্জনতার আদব:
মু‘আবিয়াহ ইবনে হাইদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত— আমি আরজ করলাম: “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের গোপনীয় অঙ্গ বা
