আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

ও সৌন্দর্যে ভরিয়ে তোলা।
ইসলাম পুরুষকে যেমন নারীর সাথে সুন্দর ও দয়ালু আচরণ করার আদেশ দিয়েছে, তেমনি নারীকেও নির্দেশ দিয়েছে ন্যায়ের ভিত্তিতে স্বামীর আনুগত্য করার। এই আনুগত্যের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত জোরালোভাবে বলেছেন—
“আমি যদি কোনো মানুষকে অন্য কোনো মানুষের সামনে সিজদাহ করার নির্দেশ দিতাম, তবে অবশ্যই নারীকে তাঁর স্বামীর সামনে সিজদাহ করার নির্দেশ দিতাম।” [সুনানুত তিরমিযী; হাদীসটি হাসান সহীহ]
এমনকি রাসূলুল্লাহ (সা.) স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জনকে নারীর জান্নাতে প্রবেশের সোপান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন—
“যে নারী এই অবস্থায় মারা যায় যে তাঁর স্বামী তাঁর ওপর সন্তুষ্ট ছিল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [সুনানুত তিরমিযী; হাদীসটি হাসান]
বিপরীতে, যেসব নারী কোনো কারণ ছাড়াই স্বামীর অবাধ্য হয় এবং তাঁর সাথে রূঢ় আচরণ করে, নবী (সা.) তাঁদের সতর্ক করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, যতক্ষণ না সে তাঁর ভুল বুঝতে পেরে স্বামীর সাথে বিবাদ মিটিয়ে নেয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তাঁর ওপর লানত বর্ষণ করতে থাকে—
নবী (সা.) বলেছেন—
“যখন কোনো নারী তাঁর স্বামীর বিছানা পরিহার করে রাত কাটায়, তখন ফেরেশতারা সকাল হওয়া পর্যন্ত তাঁর ওপর অভিশাপ (লানত) বর্ষণ করতে থাকে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
নারীর ওপর পুরুষের অভিভাবকত্ব এবং স্বামীর আনুগত্য ও সন্তুষ্টির ওপর ইসলাম এতটাই গুরুত্ব দিয়েছে যে, স্বামী বর্তমান থাকলে তাঁর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর জন্য নফল রোজা রাখা কিংবা ঘরে কোনো মেহমানকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“স্বামী উপস্থিত থাকা অবস্থায় তাঁর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর জন্য (নফল) রোজা রাখা হালাল নয় এবং তাঁর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে দেওয়াও বৈধ নয়।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
ইসলাম পুরুষকে এই অভিভাবকত্বের দায়িত্ব দিয়েছে যেন সে একজন প্রকৃত

« <
/ 87
> »