এমন সুন্দর দাম্পত্য জীবন দেখেন, তখন তাঁর পক্ষে কঠোর বা রূঢ় হওয়া অসম্ভব। তিনি তাঁর স্ত্রীর প্রতি কোমল, দয়ালু এবং উদারমনা হন।
তিনি সামান্য কারণে রেগে গিয়ে ঘর মাথায় তোলেন না—যা সাধারণত মূর্খ স্বামীরা করে থাকে। খাবার অপছন্দ হলে বা খাবার দিতে দেরি হলে তারা যে হট্টগোল ও ঝগড়া শুরু করে, একজন সচেতন মুসলিমের চরিত্রে তা থাকতে পারে না। তিনি সর্বদা নবী (সা.)-এর সেই সুমহান চরিত্রের কথা স্মরণ করেন যে—
“তিনি কখনো কোনো খাবারের দোষ ধরতেন না। তাঁর পছন্দ হলে খেতেন, আর অপছন্দ হলে ছেড়ে দিতেন (কিন্তু কটুকথা বলতেন না)।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
নবী (সা.)-এর পবিত্র জীবনী থেকে আরও জানা যায় যে, একবার তিনি তাঁর পরিবারের কাছে সালন বা তরকারি চাইলেন। তাঁরা বললেন— ‘আমাদের কাছে সিরকা (Vinegar) ছাড়া আর কিছুই নেই।’ তিনি তা-ই চাইলেন এবং তা দিয়ে খেতে খেতে বলতে লাগলেন—
“সিরকা কতই না চমৎকার সালন! সিরকা কতই না চমৎকার সালন!” [সহীহ মুসলিম]
সেই নির্বোধ স্বামীরা কি এই হাদীসটি শুনবে—যারা সামান্য ত্রুটির কারণে চোখ দিয়ে আগুনের ফুলকি ছোটায়? খাবার দিতে একটু দেরি হলে কিংবা খাবার মনের মতো না হলে তারা ঘর মাথায় তোলে। অথচ হতে পারে কোনো অনিবার্য কারণে সেই বেচারি স্ত্রীর এই ভুলটি হয়েছে। কিন্তু স্বামীরা সেই কারণ জানার আগেই রাগে ফেটে পড়ে; যেন এটিই তাঁদের ‘কর্তৃত্ব’ প্রকাশের মোক্ষম সুযোগ!
একজন প্রকৃত মুসলিম স্বামী কেবল নিজের স্ত্রীর প্রতিই দয়ালু হন না, বরং স্ত্রীর প্রিয় ও মহীয়সী বান্ধবীদের প্রতিও তাঁর সম্মান ও সদাচরণ বজায় থাকে। এটিও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ। সায়েদাহ আইশাহ (রা.) বর্ণনা করেন—
“একজন বৃদ্ধা নারী নবী (সা.)-এর কাছে আসতেন। তিনি তাঁকে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হতেন, তাঁকে
