এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) হাসছিলেন।” [তাবারানী; হায়সামী এর বর্ণনাকারীদের সহীহ পর্যায়ের বলেছেন]
চিন্তা করে দেখুন! স্ত্রীর মন ভালো রাখতে এবং ঘরে আনন্দের পরিবেশ তৈরি করতে তাঁর হৃদয় কত বড় ও কতখানি উদার ছিল!
সায়েদাহ আইশাহ (রা.) আরও বর্ণনা করেন যে, একবার এক সফরে তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে ছিলেন। তখন তিনি তাঁর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়ে রাসূল (সা.)-কে হারিয়ে দিয়েছিলেন। পরে যখন আইশাহ (রা.)-এর শরীর একটু ভারী হয়ে গেল, তখন আবারও তাঁদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলো এবং এবার রাসূল (সা.) জিতে গেলেন। তিনি তখন মুচকি হেসে বললেন—
“এই বিজয় হলো আগের সেই পরাজয়ের বদলা।” [মুসনাদু আহমাদ ও সুনান আবূ দাউদ; হাদীসটি সহীহ]
রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর তরুণী স্ত্রীর মনে আনন্দ দিতে বৈধ আমোদ-প্রমোদ দেখার সুযোগ করে দিতেন। আইশাহ (রা.) বলেন—
“একবার হাবশীরা (মসজিদের চত্বরে) খেলাধুলা করছিল। নবী (সা.) আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর কাঁধের ওপর চিবুক রেখে তাঁদের খেলা দেখতে লাগলাম। তিনি আমাকে বারবার বলছিলেন— ‘হে আইশাহ! তোমার কি দেখা শেষ হয়েছে?’ আমি বলতাম— ‘না’ (আসলে আমি দেখতে চাচ্ছিলাম তাঁর কাছে আমার মর্যাদা কতটুকু)। তিনি তাঁর দুই পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে আমাকে খেলা দেখালেন।” [সুনানুন নাসায়ী]
অন্য বর্ণনায় এসেছে—
“আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি নবী (সা.) আমার হুজরার দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতেন আর হাবশীরা বর্শা দিয়ে খেলত। তিনি তাঁর চাদর দিয়ে আমাকে আড়াল করে রাখতেন যেন আমি তাঁর কান ও কাঁধের মাঝখান দিয়ে খেলা দেখতে পারি। আমি যতক্ষণ নিজে থেকে সরে না যেতাম, ততক্ষণ তিনি আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতেন। তোমরা একজন আমোদপ্রিয় তরুণী মেয়ের কথা বিবেচনা করো (যে দীর্ঘক্ষণ খেলা দেখতে পছন্দ করে)।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
একজন প্রকৃত মুসলিম যখন তাঁর নবী (সা.)-এর
