ইসলামের মহান নবী (সা.) স্পষ্ট করেছেন যে, একজন মুমিন নারী—স্বামী তাঁকে যতই অপছন্দ করুক না কেন—অবশ্যই তাঁর মাঝে এমন কোনো ভালো গুণ থাকবে যা স্বামীকে সন্তুষ্ট করবে। তাই স্বামীর উচিত নয় স্ত্রীর ভালো দিকগুলো এড়িয়ে গিয়ে কেবল মন্দ দিকগুলো নিয়ে পড়ে থাকা। তিনি বলেন—
“কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিন নারীকে (স্ত্রীকে) ঘৃণা না করে। যদি সে তাঁর কোনো একটি আচরণে অসন্তুষ্ট হয়, তবে তাঁর অন্য কোনো আচরণে অবশ্যই সন্তুষ্ট হবে।” [সহীহ মুসলিম]
প্রকৃত মুসলিম একজন আদর্শ স্বামী:
নারীর প্রতি ইনসাফ ও ইহসানের এই অকাট্য ও সুস্পষ্ট বিধানগুলোর সামনে একজন প্রকৃত মুসলিম নিজেকে সমর্পণ করেন। ফলে তিনি হয়ে ওঠেন একজন আদর্শ স্বামী। তাঁর স্ত্রী তাঁর কোমল আচরণ ও মার্জিত সান্নিধ্যে ধন্য হন এবং দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনেও সেই সুখ অটুট থাকে।
তিনি যখন ঘরে প্রবেশ করেন, তখন স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে অত্যন্ত প্রফুল্ল ও হাসিমুখে উপস্থিত হন। তিনি তাঁদের সেই বরকতময় অভিবাদন (সালাম) জানান যা মহান আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন এবং যা ইসলামের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন—
﴿فَإِذَا دَخَلْتُمْ بُيُوتًا فَسَلِّمُوا عَلَىٰ أَنفُسِكُمْ تَحِيَّةً مِّنْ عِندِ اللَّهِ مُبَارَكَةً طَيِّبَةً﴾ “অতঃপর যখন তোমরা ঘরে প্রবেশ করবে, তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে; যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বরকতময় ও পবিত্র অভিবাদন।” [সূরাহ আন-নূর: ৬১]
রাসূলুল্লাহ (সা.) এই সালামের গুরুত্ব বর্ণনা করে আনাস (রা.)-কে বলেছিলেন—
“হে বৎস! যখন তুমি তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করবে, তখন সালাম দিয়ো। এটি তোমার জন্য এবং তোমার পরিবারের জন্য বরকতের কারণ হবে।” [সুনানুত তিরমিযী; হাদীসটি হাসান গরীব]
একজন মুমিন পুরুষ যখন ঘরে প্রবেশ করে তাঁর পরিবারকে সালাম দেন এবং বসন্তের স্নিগ্ধতার মতো হাসি ছড়িয়ে দেন, তখন
