আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

এবং বলো—হে আমার রব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন, যেমন তাঁরা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।” [সূরাহ আল-ইসরা: ২৩-২৪]

কখনো এমন হতে পারে যে, পিতামাতা সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন বা কোনো ভুলের ওপর অটল আছেন; এমন পরিস্থিতিতেও একজন আদর্শ মুসলিম সন্তানের দায়িত্ব হলো অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে, কোমলতা ও বিচক্ষণতার সাথে তাঁদের সেই ভ্রান্ত পথ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। সে ক্ষেত্রেও কোনো কঠোরতা, অভদ্রতা বা উচ্চবাচ্য করা যাবে না। বরং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও বিনম্র ব্যবহারের মাধ্যমে তাঁদের সত্যের পথে ডাকার চেষ্টা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাঁর প্রধান হাতিয়ার হবে শক্তিশালী যুক্তি, সঠিক বুদ্ধিবৃত্তি এবং অত্যন্ত মার্জিত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ কৌশল।

একজন সচেতন ও বিচক্ষণ মুসলিম এ কথা ভুলে যান না যে, পিতামাতা যদি মুশরিকও হন, তবুও তাঁদের সাথে এই বিনম্র ও সৌজন্যমূলক আচরণ বজায় রাখা তাঁর কর্তব্য। শিরক সবচেয়ে বড় গুনাহ হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের সাথে সদ্ভাব বজায় রাখার বিষয়ে কোনো শিথিলতা নেই। এ ক্ষেত্রে তিনি মহান আল্লাহর নির্দেশ পালন করেন, যেখানে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন—

﴿وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَىٰ وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ * وَإِن جَاهَدَاكَ عَلَىٰ أَن تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا ۖ وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا ۖ وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ﴾
“আমি মানুষকে তার পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং (নির্দেশ দিচ্ছি যে) আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও এবং তোমার পিতামাতার প্রতিও; আমারই কাছে তোমাদের ফিরে আসতে হবে। আর যদি তারা তোমাকে আমার

« <
/ 87
> »