সুন্দর চরিত্রে ভূষিত দেখতে চেয়েছেন, তা তাদের সামনে তুলে ধরবেন; যাতে এই পার্থিব জীবন সুন্দর, উপভোগ্য ও সুখময় হয়ে ওঠে।
আল্লাহ তা‘আলা এই দ্বীনকে সাত আসমানের উপর থেকে এজন্য নাযিল করেননি যে, এটি কেবল তাত্ত্বিক বিষয়ে পরিণত হবে যা নিয়ে বুদ্ধিমানেরা বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই করবে। কিংবা এটি কেবল এমন কোনো পবিত্র বাণী হবে যা মানুষ না বুঝে সওয়াবের আশায় তিলাওয়াত করবে। বরং আল্লাহ এটি নাযিল করেছেন ব্যক্তির জীবনকে পরিচালনা করতে, পরিবারের জীবনকে সুসংগঠিত করতে এবং সমাজকে নেতৃত্ব দিতে। এটি এমন এক নূর বা আলো, যা মানুষের পথকে আলোকিত করবে এবং তাদের অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনবে:
قَدْ جَاءَكُمْ مِنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُبِينٌ * يَهْدِي بِهِ اللَّهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهُ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهِ وَيَهْدِيهِمْ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে নূর (আলো) ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে, তিনি এর মাধ্যমে তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ ইচ্ছায় তাদের অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন।” [সূরাহ আল-মায়িদাহ: ১৫-১৬]
এই হেদায়েতের ছায়াতলেই জীবন সজীব ও প্রাণবন্ত হয়, বেঁচে থাকাটা আনন্দময় হয় এবং প্রাণিকুল প্রশান্তি পায়। আর এই সুশৃঙ্খল ও সুখময় জীবনের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হলো—এমন একজন সত্যনিষ্ঠ মুসলিম তৈরি করা, যার মধ্যে ইসলামের সেই উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় প্রতিচ্ছবি মূর্ত হয়ে উঠবে। মানুষ তাকে দেখলেই যেন ইসলামকে দেখতে পায় এবং তার সাথে লেনদেন করলে যেন ইসলামের প্রতি মানুষের ঈমান ও আকর্ষণ আরও বেড়ে যায়।
রাসূলুল্লাহ (সা.) দাওয়াতের সূচনাপর্বে ঠিক এই কাজটিই করেছিলেন। ইসলামের এই সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় তাঁর প্রথম পদক্ষেপই ছিল এমন
