আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

কিছু মানুষ তৈরি করা, যাদের সত্তায় ইসলাম মূর্ত হয়ে উঠবে। ফলশ্রুতিতে তাঁরা যেন একেকজন ‘চলমান কোরআন’-এ পরিণত হলেন। তাঁরা যখন পৃথিবীর দিগ দিগন্তে ছড়িয়ে পড়লেন, মানুষ তাঁদের মাঝে এমন এক অনন্য মানবীয় আদর্শের দেখা পেল, যা জীবন পরিচালনার এক অনন্য ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছিল। মানুষ যখন সেই আদর্শ জীবনব্যবস্থাকে একজন সত্যনিষ্ঠ মুমিনের মাঝে জীবন্ত হয়ে উঠতে দেখল, তখন তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে শুরু করল।

আজকের এই মানবসভ্যতা, বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহ, সেই অনন্য আদর্শ মানুষ তৈরির প্রয়োজনে বড্ড বেশি মুখাপেক্ষী। এমন মানুষ ছাড়া এই জীবন যেমন সুন্দর হয় না, তেমনি শ্রেষ্ঠ মানবিক মূল্যবোধগুলোও সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয় না। আর ইসলামের সেই দ্যুতিময় রূপটিও কেবল এমন মানুষের মাধ্যমেই প্রস্ফুটিত হওয়া সম্ভব।

কেমন সেই সুন্দর প্রতিচ্ছবি? এই অনন্য মানবীয় আদর্শের স্বরূপই বা কী? পাঠক পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে তারই উত্তর খুঁজে পাবেন।

পরিশেষে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাটুকু কেবল তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই কবুল করে নেন এবং এর দ্বারা মানুষকে উপকৃত করেন। তিনি যেন এটিকে আমার সেই দিনের পাথেয় বানিয়ে দেন, যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো কাজে আসবে না—উপকার পাবে কেবল সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর নিকট প্রশান্ত ও সুস্থ হৃদয় নিয়ে উপস্থিত হবে।

রিয়াদ, ২৭শে জুমাদাল আখিরাহ, ১৪০১ হিজরী মে, ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দ

মুহাম্মাদ আলী আল-হাশিমী
মুসলিম ও তাঁর রব
সচেতন ও জাগ্রত হৃদয়ের মুমিন
ইসলাম একজন মুসলিমের কাছে সর্বপ্রথম যে দাবিটি করে তা হলো—সে আল্লাহ তা‘আলার প্রতি যথার্থ ঈমান রাখবে, তাঁর সাথে সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখবে, সর্বদা তাঁর জিকিরে মশগুল থাকবে এবং তাঁরই ওপর ভরসা করবে। সে জাগতিক সব উপায়-উপকরণ গ্রহণ করবে ঠিকই, কিন্তু সাহায্য প্রার্থনা করবে কেবল আল্লাহর

« <
/ 87
> »