আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

যিনি উচ্চতর বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক সাফল্য অর্জন করেন; যা মানুষের চোখে তাঁকে মর্যাদাবান ও শ্রদ্ধেয় করে তোলে এবং তাঁকে সম্মান ও গৌরবের উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়। আর তাঁর এই সফলতার হাত ধরেই ইসলামের সুমহান দাওয়াত মানুষের কাছে উচ্চতর মর্যাদায় আসীন হয়। কারণ তিনি তাঁর নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে ইসলামের সেই প্রাণশক্তিকেই প্রতিনিধিত্ব করছেন যা জ্ঞানার্জনকে ‘ফরয’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং যার মাধ্যমে একজন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে। একারণেই আমরা আমাদের পূর্বসূরি আলেমদের কিতাবসমূহের ভূমিকায় এই মহৎ উদ্দেশ্যগুলোর প্রতিফলন দেখতে পাই; তাঁরা তাঁদের জীবনভর অর্জিত জ্ঞান প্রচারের মাধ্যমে কেবল মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিই কামনা করতেন।
চিন্তার জানালা উন্মুক্ত রাখা
একজন সচেতন ও বিচক্ষণ মুসলিম কেবল নিজের বিশেষায়িত বিষয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকেন না। বরং তিনি তাঁর চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তির জানালাগুলো উন্মুক্ত রাখেন। তিনি বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক বই এবং সাময়িকী পাঠ করেন—বিশেষ করে তাঁর নিজ বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানসমূহ। এভাবে তিনি জ্ঞানের প্রতিটি শাখা থেকে পরিমিত স্বাদ গ্রহণ করেন, যা তাঁর মস্তিষ্ককে সচল রাখে, দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে এবং মানসিক সৃজনশীলতাকে বৃদ্ধি করে।
বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জন
একজন তীক্ষ্ণবুদ্ধি সম্পন্ন ও উদ্যমী মুসলিম সমকালীন জীবন ও ইসলামের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে বিদেশি ভাষা শেখার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন। বর্তমান যুগে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের জন্য বিদেশি ভাষা শেখা একজন সচেতন মুসলিমের জন্য সংস্কৃতির অন্যতম অপরিহার্য অনুষঙ্গ।
একজন সচেতন মুসলিমের জন্য তাঁর মহান দ্বীনের দিকনির্দেশনা বিদেশি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম অনুপ্রেরণা। আজ থেকে পনেরোশ বছর আগেই নবী (সা.) বিদেশি ভাষা শেখার আহ্বান জানিয়েছিলেন; যেন মুসলিমরা সর্বদা বিভিন্ন জাতি ও গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সত্যের বাণী

« <
/ 87
> »