আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

জ্ঞানের মর্যাদা ছিল কত সুউচ্চ! আর উত্তরসূরিদের জন্য এই মহান পূর্বসূরিদের (সলফ) অনুসরণ করা আজ কতটা জরুরি!
একজন মুসলিমের যা আয়ত্ত করা প্রয়োজন
একজন মুসলিমের জন্য সর্বপ্রথম যে জ্ঞানটি পূর্ণাঙ্গভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক, তা হলো মহান আল্লাহর কিতাব; এর তিলাওয়াত, তাজবিদ এবং তাফসীর। এরপর হাদীস শাস্ত্র, সীরাত (রাসূলুল্লাহ সা.-এর জীবনী) এবং ইসলামের শ্রেষ্ঠ সন্তান সাহাবী ও তাবিঈগণের জীবনী সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা প্রয়োজন। এছাড়া নিজের ইবাদত ও দৈনন্দিন লেনদেন সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য যতটুকু ফিকহ বা মাসআলা-মাসায়েল জানা দরকার, তা মজবুত ভিত্তির ওপর অর্জন করা কর্তব্য। এটি মূলত ওইসব মুসলিমের জন্য প্রযোজ্য যাঁরা শরীয়াহ বিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। আর যাঁরা সরাসরি শরীয়াহ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ, তাঁদের জন্য নিজ কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, সূক্ষ্মতা ও সাফল্য অর্জন করা একজন প্রকৃত মুসলিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বলাই বাহুল্য যে, একজন মুসলিমের জন্য আরবি ভাষায় দক্ষতা ও ব্যুৎপত্তি থাকা অপরিহার্য।
নিজ বিশেষায়িত বিষয়ে দক্ষতা অর্জন (Specialization)
সচেতন মুসলিম জ্ঞানার্জনের প্রাথমিক ধাপগুলো শেষ করে নিজের বিশেষায়িত বিষয়ের (Specialization) দিকে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাঁর সমস্ত শক্তি ও মনোযোগ সেখানে নিবেদন করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, নিজ কর্মক্ষেত্রে বা বিশেষায়িত বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা একটি ইবাদত বা ফরয দায়িত্ব—চাই তা দ্বীনি ইলম হোক কিংবা দুনিয়াবি কোনো বিজ্ঞান (যেমন: গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রকৌশল, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, শিল্প বা বাণিজ্য)।
সুতরাং তিনি যে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, তাতে পূর্ণ পাণ্ডিত্য অর্জন করা তাঁর কর্তব্য। সম্ভব হলে বিভিন্ন ভাষায় ওই বিষয়ে যা কিছু লেখা হয়েছে, তা আয়ত্ত করতে তিনি কোনো কুণ্ঠাবোধ করেন না। তিনি সর্বদা নতুন নতুন উদ্ভাবন ও গবেষণার সাথে যুক্ত থেকে অধ্যয়নের মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিকে শাণিত রাখেন। বর্তমান যুগে একজন সচেতন ও প্রকৃত মুসলিম তিনিই,

« <
/ 87
> »