আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

সর্বদা এক শুভ্র ও উজ্জ্বল পথে চলতে পারে। তারা যেন অন্ধকারে হাতড়ে না বেড়ায়, ভ্রান্তিতে পথ না হারায় এবং সত্য ও সঠিক পথের দিশা যেন কখনো তাদের চোখের আড়ালে চলে না যায়।

আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি যে, মানুষের মানবিকতা চর্চা করার জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলা এই পৃথিবীতে তাকে যে মহান দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন তা পালনের জন্য হেদায়েত, সঠিক তারবিয়াত ও শিষ্টাচারের পরশ পাওয়া কতটা জরুরি। যদি এই পবিত্র ও সত্যনিষ্ঠ পথের দিশা না থাকত, তবে মানুষ নিশ্চিতভাবেই চরম স্বার্থপরতা, আত্মকেন্দ্রিকতা এবং অপরের ক্ষতি সাধনের পঙ্কিলতায় ডুবে যেত। সে লিপ্ত হতো ঘৃণা, বিদ্বেষ, শোষণ, আধিপত্যবাদ আর জুলুমের মতো জঘন্য সব মন্দ অভ্যাস ও কদর্য চরিত্রে।

আমরা এই বাস্তবতার প্রতিফলন দেখতে পাই একটি শিশুর আচরণের মধ্যে। সে যখন তার বাবা-মায়ের সামনে দাঁড়ায়, তখন নিজেকে অত্যন্ত সৎ, সুবোধ এবং তার ভাইয়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। সে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নিজেকে সেসব গুণে ভূষিত করতে চায়, যা থেকে সে তার ভাইকে বঞ্চিত রাখতে আগ্রহী। মূলত এর মাধ্যমে সে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে চায় এবং সব কিছুতে ভাইয়ের ওপর জয়ী হওয়ার ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের যে সহজাত প্রবৃত্তি তার মধ্যে রয়েছে, তাকেই নিশ্চিত করতে চায়।

মানুষের এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যটি একটি জন্মগত স্বভাব। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি সঠিক মাত্রায় ও ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষের অস্তিত্বের স্থায়িত্ব এবং দুনিয়ার কল্যাণ এরই ওপর নির্ভর করে। কারণ, এই প্রবৃত্তিই মানুষকে তার ভেতরের গভীরতম ও সর্বোত্তম কল্যাণগুলো বের করে আনতে উদ্বুদ্ধ করে। আর মানুষ যখন এই কল্যাণকে নিজের সত্তার সাথে সম্পর্কিত করতে পারে, তখন তার পুরো মন এক অপার্থিব তৃপ্তিতে ভরে ওঠে। ফলে সে আরও বেশি অবদান

« <
/ 87
> »