তার নিজের সাথে নিজের সম্পর্ক এবং আশেপাশের মানুষের সাথে তার সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় সেখানে বিদ্যমান। এর প্রতিটি নির্দেশনা একজন মুমিনকে প্রতিটি দিক থেকে গড়ে তোলে এবং তাকে একটি আদর্শ ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলে।
এসব দিকনির্দেশনার আলোকে একজন মুসলিমকে যখন দেখা যায়, তখন সে কেবল একজন সাধারণ মানুষ নয়; বরং সে হয়ে ওঠে একজন অনন্য, রুচিশীল এবং অভিজাত সামাজিক মানুষ। পবিত্র কুরআনের আয়াত এবং সুন্নাহর অমীয় বাণীসমূহ তাকে এক অসাধারণ চারিত্রিক মাধুর্যে সজ্জিত করে। আর এই গুণাবলি অর্জন করাকে ইসলাম নিছক কোনো লৌকিকতা নয়, বরং ‘দ্বীন’ বা ইবাদতের অংশ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে—যার মাধ্যমে মানুষ তার রবের সন্তুষ্টি এবং মহাপুরস্কার প্রত্যাশা করে।
অতঃপর আমি আল্লাহর কিতাব ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ থেকে সেই সমস্ত নুসূস সংগ্রহ করতে শুরু করলাম এবং সেগুলোকে বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন অধ্যায়ে বিন্যস্ত করলাম। এই শ্রেণিবিন্যাস সম্পন্ন হওয়ার পর গবেষণার রূপরেখাটি আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠল এবং তা নিম্নলিখিত বিভাগগুলোতে সুসংগঠিত হলো:
১. মুসলিম ও তার রব
২. মুসলিম ও তার আপন সত্তা
৩. মুসলিম ও তার পিতা-মাতা
৪. মুসলিম ও তার স্ত্রী
৫. মুসলিম ও তার সন্তানসন্ততি
৬. মুসলিম ও তার নিকটাত্মীয় পরিজন
৭. মুসলিম ও তার প্রতিবেশী
৮. মুসলিম ও তার দ্বীনী ভাই ও বন্ধু-বান্ধব
৯. মুসলিম ও তার সমাজ
এই পবিত্র নসগুলোর সান্নিধ্যে থেকে এবং এর সুউচ্চ নসীহাহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে গিয়ে আমার কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, বান্দার প্রতি আল্লাহর রহমত কত বিশাল! তিনি মানুষকে গোমরাহির অতল গহ্বর থেকে টেনে তুলে হেদায়েতের সুউচ্চ শিখরে সমাসীন করেছেন। তিনি তাদের কাছে রাসুল পাঠিয়েছেন এবং অবতীর্ণ করেছেন আসমানী কিতাব ও শরিয়ত; যেন মানুষ
