বিষয় হলো, তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সেই হাদীসটি শোনে ও বর্ণনা করে, যেখানে কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ বা কুরাছ (এক জাতীয় তিতকুটে শাক) খেয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করা হয়েছে—যাতে ফেরেশতা ও মানুষেরা কষ্ট না পায়:
“যে ব্যক্তি পিঁয়াজ, রসুন বা কুরাছ খেলো, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছে না আসে। কেননা আদম সন্তান যেসবে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও তাতে কষ্ট পায়।” [সহীহ মুসলিম]
রাসূলুল্লাহ (সা.) দুর্গন্ধযুক্ত সবজি খেয়ে মসজিদের কাছে আসাই নিষিদ্ধ করেছেন যেন মানুষের নিশ্বাসের দুর্গন্ধে পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়। অথচ ময়লা পোশাক, ঘর্মাক্ত নোংরা মোজা কিংবা অপরিচ্ছন্ন শরীর ও মুখের দুর্গন্ধ—যা অনেক সময় ওইসব সবজির গন্ধের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি তীব্র ও অসহ্য—তার ব্যাপারে কিছু মানুষ গাফেল থাকে। তাদের এই উদাসীনতা অন্যকে চরম কষ্ট দেয়।
ইমাম আহমাদ ও নাসাঈ জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন—
“রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এলেন। তখন তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন যার পোশাক ছিল খুবই ময়লা। তিনি বললেন—‘এই লোকটির কি এমন কিছু জুটল না যা দিয়ে সে তার কাপড় ধুতে পারে?!’”
রাসূলুল্লাহ (সা.) একজন মানুষের নোংরা পোশাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়াকে অপছন্দ করেছেন, বিশেষ করে যখন তার কাপড় ধোয়ার সামর্থ্য থাকে। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিমদের এই শিক্ষা দিয়েছেন যে, তারা যেন সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সুশ্রী ও আকর্ষণীয় অবয়বে থাকে।
তিনি আরও বলতেন—
“তোমাদের কারো যদি সামর্থ্য থাকে, তবে সে যেন তার কর্মক্ষেত্রের পোশাক (যা পরে কাজ করে) ছাড়াও জুমুআর দিনের জন্য আলাদা দুটি পোশাক তৈরি করে নেয়।” [সুনান আবূ দাউদ ও সুনান ইবনে মাজাহ; সহীহ সূত্রে বর্ণিত]
ইসলাম তার অনুসারীদের অসংখ্য নির্দেশনার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে। ইসলাম চায় মুমিনরা যেন সর্বদা সুগন্ধময় ও পবিত্র থাকে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর
