তবে তিনি কেবল স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপরই নির্ভর করেন না, বরং শরীরের শক্তি আরও বৃদ্ধির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর বয়স, শারীরিক গঠন ও সামাজিক অবস্থানের সাথে মানানসই পরিকল্পিত ব্যায়াম চর্চা করেন। এই ব্যায়াম তাঁর শরীরে শক্তি, প্রাণচাঞ্চল্য এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দান করে। তিনি ব্যায়ামের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখেন যেন এর সুফল তাঁর শরীরে প্রতিফলিত হয়। একজন সচেতন মুসলিমের বৈশিষ্ট্যই হলো—তিনি সব সময় ও সব স্থানে পরিমিতিবোধ ও ভারসাম্য বজায় রেখে সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করেন।
শরীর ও পোশাকের পরিচ্ছন্নতা
ইসলাম একজন মুসলিমকে মানুষের মাঝে ‘তিল’ বা বিশেষ চিহ্নের মতো উজ্জ্বল দেখতে চায়; তাই তিনি অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন থাকেন। তিনি তাঁর শরীর পরিচ্ছন্ন রাখেন এবং নিয়মিত বিরতিতে গোসল করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি নবী (সা.)-এর সেই নির্দেশনার অনুসারী, যিনি পূর্ণাঙ্গ গোসল ও সুগন্ধি ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন; বিশেষ করে জুমুআর দিনে। তিনি বলেছেন—
“তোমরা জুমুআর দিনে গোসল করো এবং তোমাদের মাথা ধৌত করো, যদিও তোমরা অপবিত্র (জুনুবী) না হও; আর সুগন্ধি ব্যবহার করো।” [সহীহ বুখারী]
পরিচ্ছন্নতা ও গোসলের প্রতি তাঁর গুরুত্বারোপ এতটাই ছিল যে, কোনো কোনো ইমাম জুমুআর সালাতের জন্য গোসল করাকে ‘ওয়াজিব’ বা আবশ্যক বলে গণ্য করেছেন। আবূ হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন—
“প্রত্যেক মুসলিমের ওপর আল্লাহর এই হক রয়েছে যে, সে প্রতি সাত দিনের মধ্যে অন্তত এক দিন গোসল করবে এবং সেদিন তার মাথা ও শরীর ধৌত করবে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
প্রকৃত মুসলিম তাঁর পোশাক ও মোজার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারেও সচেতন। তিনি মাঝে মাঝেই তাঁর পোশাক ও মোজা পরীক্ষা করে দেখেন (যে ময়লা হয়েছে কি না)। তিনি কখনো এটি পছন্দ করেন না যে, তাঁর শরীর বা
