হওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র মুখনিঃসৃত বাণী থেকে জানা যায়:
আবূ ক্বাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আরাফাহর দিনের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন—
“তা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।” [সহীহ মুসলিম]
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিনে রোজা রেখেছেন এবং (অন্যদেরও) রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
আবূ ক্বাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আশুরার দিনের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন—
“তা বিগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।” [সহীহ মুসলিম]
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি, তবে অবশ্যই (আশুরার সাথে) নয় তারিখেও রোজা রাখব।” [সহীহ মুসলিম]
অনুরূপভাবে তিনি শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার প্রতিও যত্নবান হন। এই রোজাগুলোর ফযীলত সম্পর্কে রাসূল কারীম (সা.) বলেন—
“যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, অতঃপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা তার অনুগামী করল (অর্থাৎ শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল), সে যেন সারাবছরই রোজা রাখল।” [সহীহ মুসলিম]
নফল সিয়ামের মধ্যে প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা বিশেষভাবে মুস্তাহাব। এ সম্পর্কে আবূ হুরায়রাহ (রা.) বলেন—
“আমার প্রিয়তম বন্ধু (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন: প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, চাশতের (দুহার) দুই রাকাআত সালাত আদায় করা এবং ঘুমানোর আগে বিতর সালাত আদায় করা।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
আবূ দারদা (রা.) বলেন—
“আমার প্রিয়তম হাবীব (সা.) আমাকে তিনটি অসিয়ত করেছেন, যা আমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত কখনো ছাড়ব না: প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, চাশতের সালাত আদায় করা এবং বিতর না পড়ে না ঘুমানো।” [সহীহ মুসলিম]
