আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
সুতরাং এই মর্যাদাপূর্ণ মাসটি হলো একনিষ্ঠ ইবাদতের মাস। একজন একনিষ্ঠ মুসলিমের পক্ষে এটি সম্ভব নয় যে, তিনি রাতভর নিরর্থক আমোদ-প্রমোদ ও গল্পগুজবে সময় নষ্ট করবেন; আর যখন ফজর ঘনিয়ে আসবে এবং চোখে ঘুম জেঁকে বসবে, তখন দু-এক লোকমা খেয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দেবেন এবং গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে ফজর সালাতটিই নষ্ট করে ফেলবেন!
দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত একজন সচেতন মুত্তাকী মুসলিম তারাবীহ শেষ করে এসে অযথা রাত জাগেন না; কারণ অল্প কয়েক ঘণ্টা পরেই তাঁকে কিয়ামুল লাইল এবং সাহ্‌রি খাওয়ার জন্য জাগতে হবে এবং এরপর ফজর সালাত আদায় করতে মসজিদে যেতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহ্‌রি খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ এর মাঝে প্রভূত কল্যাণ নিহিত। তিনি বলেছেন—
“তোমরা সাহ্‌রি খাও, কারণ সাহ্‌রিতে বরকত রয়েছে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
সাহ্‌রি খাওয়ার জন্য জেগে ওঠা মানুষকে কিয়ামুল লাইলের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং ফজর সালাত জামাআতের সাথে আদায় করার জন্য মসজিদে যেতে উৎসাহিত ও উদ্যমী করে তোলে। এর পাশাপাশি এটি সিয়াম পালনের জন্য শরীরে শক্তি জোগায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও এটি করতেন এবং তাঁর সাহাবীগণকেও এই অভ্যাসে গড়ে তুলতেন।
জাইদ ইবনে সাবিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
“আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে সাহ্‌রি খেলাম, অতঃপর সালাতের জন্য দাঁড়ালাম।” (বর্ণনাকারী আনাস রা.) জিজ্ঞেস করলেন, “সাহ্‌রি ও আজানের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কতটা ছিল?” তিনি বললেন, “পঞ্চাশটি আয়াত তিলাওয়াত করার সমপরিমাণ।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
একজন মুত্তাকী ও সচেতন মুসলিম রমজান ছাড়াও নফল সিয়াম পালনের সুযোগ হাতছাড়া করেন না। যেমন—আরাফাহর দিন, আশুরার দিন এবং তাসূআর (আশুরার আগের দিন) সিয়াম। এই দিনগুলোতে রোজা রাখা গুনাহ মাফ

« <
/ 87
> »