তার প্রবৃত্তি ও আহার বর্জন করে। সিয়াম পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ: একটি তার ইফতারের সময়, আর অন্যটি তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশক আম্বারের সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়’।” [সহীহ মুসলিম]
এ কারণেই একজন সচেতন ও বুদ্ধিমান মুসলিমের কর্তব্য হলো—এই বরকতময় মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে গনীমত মনে করে সৎকাজের মাধ্যমে তা পূর্ণ করা। তাঁর দিন কাটবে সিয়াম, সালাত, তিলাওয়াত, দান-সদকা ও অন্যান্য নেক আমলের মধ্য দিয়ে; আর রাত কাটবে কিয়াম, তাহাজ্জুদ ও দু‘আর মাধ্যমে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে কিয়াম (তারাবীহ বা নফল সালাত) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে যতটা পরিশ্রম করতেন, অন্য কোনো মাসে তা করতেন না। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে তাঁর আমল ও সাধনা আরও বেড়ে যেত। আয়িশাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
“রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইবাদতে যতটা পরিশ্রম করতেন, অন্য কোনো সময় তেমনটি করতেন না।” [সহীহ মুসলিম]
তিনি আরও বলেন—
“যখন রমজানের শেষ দশক আসত, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) সারা রাত জেগে ইবাদত করতেন, তাঁর পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন, ইবাদতে কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন (অর্থাৎ ইবাদতের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিতেন)।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
তিনি লাইলাতুল কদর তালাশ করার নির্দেশ দিতেন এবং এই রাতের ইবাদতের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতেন—
“তোমরা রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম] “তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।” [সহীহ বুখারী] “যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার
