তার সেই হাত যা দিয়ে সে পাকড়াও করে…
এর সপক্ষে হাদীসে কুদসীটি প্রণিধানযোগ্য:
“আমার বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে সর্বদা আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে, যতক্ষণ না আমি তাকে ভালোবাসতে শুরু করি। আর যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে পাকড়াও করে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, তবে আমি তাকে অবশ্যই তা দিই; আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় চায়, তবে আমি তাকে অবশ্যই আশ্রয় দিই।” [সহীহ বুখারী]
বান্দার প্রতি আল্লাহর এই ভালোবাসার অনিবার্য ফল হলো—আসমান ও জমিনের অধিবাসীরাও তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। এর সত্যতা পাওয়া যায় আবূ হুরায়রাহ (রা.) বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর এই হাদীসে—
“আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন জিবরীল (আ.)-কে ডেকে বলেন—‘আমি অমুককে ভালোবাসি, তাই তুমিও তাকে ভালোবাসো।’ ফলে জিবরীল (আ.) তাকে ভালোবাসতে শুরু করেন। এরপর তিনি আসমানে ঘোষণা করে দেন—‘আল্লাহ অমুককে ভালোবাসেন, তাই তোমরাও তাকে ভালোবাসো।’ ফলে আসমানের অধিবাসীরাও তাকে ভালোবাসতে থাকে। এরপর জমিনেও তার জন্য জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা দান করা হয়। আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে অপছন্দ করেন, তখন জিবরীল (আ.)-কে ডেকে বলেন—‘আমি অমুককে অপছন্দ করি, তুমিও তাকে অপছন্দ করো।’ তখন জিবরীল (আ.) তাকে অপছন্দ করেন এবং আসমানে ঘোষণা করে দেন—‘আল্লাহ অমুককে অপছন্দ করেন, তোমরাও তাকে অপছন্দ করো।’ ফলে তারা তাকে অপছন্দ করতে শুরু করে এবং জমিনেও তার জন্য ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া হয়।” [সহীহ মুসলিম]
এ কারণেই রাসূলুল্লাহ (সা.) রাতভর নফল সালাত আদায় করতেন—এমনকি তাঁর পা মোবারক ফুলে ফেটে যেত। উম্মুল মুমিনীন
