করতেন না। তাঁকে বলা হলো—‘আপনি যদি একটি গাধা কিনে নিতেন, তবে অন্ধকারের রাতে কিংবা রোদে পুড়ে তপ্ত মরুপথে যাতায়াতে আপনার সুবিধা হতো।’ তিনি বললেন—‘আমার বাড়ি মসজিদের একদম পাশে হওয়াটা আমাকে মোটেও আনন্দিত করবে না। আমি চাই মসজিদে আসা এবং সালাত শেষে বাড়ি ফেরার প্রতিটি পদক্ষেপ যেন আমার জন্য (পুণ্য হিসেবে) লিখে রাখা হয়।’ এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন—‘আল্লাহ তা‘আলা তোমার জন্য এই সবটুকুই একত্রিত করে দিয়েছেন (অর্থাৎ তুমি যা চেয়েছ তা-ই পাবে)।’” [সহীহ মুসলিম]
দূরবর্তী এলাকা থেকে সাহাবীগণ যখন মসজিদের কাছে চলে আসতে চেয়েছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁদের এই হেদায়েত দিয়েছিলেন যে, তাঁরা যেন দূরেই অবস্থান করেন। তিনি তাঁদের নিশ্চিত করেছিলেন যে, মসজিদের দিকে তাঁদের এই হেঁটে আসার চিহ্নসমূহ বৃথা যাবে না, বরং তা আমলনামায় স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করা হবে:
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
“মসজিদের আশপাশে কিছু জায়গা খালি হলো। তখন বনী সালিমা গোত্রের লোকেরা মসজিদের নিকটবর্তী স্থানে চলে আসার ইচ্ছা করলেন। এই সংবাদ নবী (সা.)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি তাঁদের বললেন—‘আমি জানতে পেরেছি যে তোমরা নাকি মসজিদের কাছে চলে আসতে চাইছ?’ তাঁরা বললেন—‘জি হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তেমনটিই চেয়েছিলাম।’ তখন তিনি বললেন—‘হে বনী সালিমা! তোমরা তোমাদের ঘরগুলোতেই অবস্থান করো, (মসজিদে আসার) তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের সওয়াব লিখে রাখা হবে; তোমরা তোমাদের ঘরগুলোতেই অবস্থান করো, তোমাদের প্রতিটি পদচিহ্নের সওয়াব লিখে রাখা হবে।’ এরপর তাঁরা বললেন—‘(এই সুসংবাদ শোনার পর) এখন আর বাড়ি পরিবর্তন করা আমাদের কাছে আনন্দের বিষয় নয়’।” [সহীহ মুসলিম; ইমাম বুখারী আনাস (রা.)-এর সূত্রে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন]
আবূ মূসা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“সালাতে সেই ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি সওয়াবের অধিকারী হবে, যার পথ হবে
