আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

বর্ণনা রয়েছে যে, এই অল্প পরিসরে তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়।

একজন মুত্তাকী মুসলিম যথাসম্ভব মসজিদে প্রথম জামাআতে শরিক হওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা.) সংবাদ দিয়েছেন যে—

“একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে জামাআতে সালাত আদায় করা সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদাপূর্ণ।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও জানিয়েছেন যে—

“কোনো মুসলিম যখন সুন্দরভাবে ওযু করে কেবল সালাতের উদ্দেশ্যেই মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি করে গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হয়। আর সে যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে বসে থাকে এবং যতক্ষণ তার ওযু থাকে, ফেরেশতারা অনবরত তার জন্য দু‘আ করতে থাকে—‘হে আল্লাহ! আপনি তার ওপর রহমত নাযিল করুন, হে আল্লাহ! আপনি তার প্রতি দয়া করুন।’ আর সালাতের অপেক্ষায় থাকাকালীন পুরো সময়টাই সে সালাত আদায়ের সওয়াব পেতে থাকে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]

আল্লাহর রাসূল (সা.) জামাআতের প্রতি যত্নবান ব্যক্তিকে মসজিদে তাঁর প্রতিটি সকাল-সন্ধ্যা যাতায়াতের বিনিময়ে জান্নাতের মেহমানদারির সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন—

“যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় মসজিদের দিকে যায়, আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি যাতায়াতের বিনিময়ে জান্নাতে তার জন্য মেহমানদারির সামগ্রী প্রস্তুত করেন।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]

এ কারণেই সাহাবীগণ (রা.) জামাআতে সালাত আদায়ের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন। এ প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ (রা.) বলেন—

“যে ব্যক্তি কাল কিয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে ‘মুসলিম’ হিসেবে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন এই সালাতগুলোর আজান যেখানে দেওয়া হয় সেখানে (মসজিদে) গিয়ে তা হিফাযত করে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের নবীর জন্য ‘সুনানাল হুদা’ বা হেদায়েতের পথসমূহ বিধিবদ্ধ করেছেন; আর এই সালাতগুলো সেই হেদায়েতেরই পথ। তোমরা যদি জামাআত ত্যাগকারী ওই

« <
/ 87
> »