গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে? তারা (সাহাবীগণ) বললেন—না, তার কোনো ময়লাই অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি বললেন—পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণও ঠিক তেমনি। এর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা পাপসমূহ মিটিয়ে দেন।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন—
“পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ হলো তোমাদের কারো দরজার সামনে দিয়ে প্রবাহিত একটি গভীর নদীর মতো, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে।” [সহীহ মুসলিম]
ইবনে মাস‘ঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি কোনো এক নারীকে চুম্বন করে ফেলেছিল। এরপর সে নবী (সা.)-এর কাছে এসে বিষয়টি জানাল। তখন আল্লাহ তা‘আলা এই আয়াত নাযিল করলেন—
﴿وَأَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ﴾ “আর সালাত কায়েম করো দিনের দুই প্রান্তে এবং রাতের প্রথমাংশে। নিশ্চয়ই নেক আমলসমূহ গুনাহসমূহকে দূর করে দেয়।” [সূরাহ হুদ: ১১৪] লোকটি জিজ্ঞেস করল—এটি কি কেবল আমার জন্য? তিনি বললেন—‘আমার পুরো উম্মতের জন্য।’ [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
আবূ হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন—
“পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং এক জুমুআ থেকে অন্য জুমুআ—এগুলোর মধ্যবর্তী সময়ের পাপের জন্য কাফফারা স্বরূপ; যতক্ষণ না কোনো কবিরা গুনাহ (বড় পাপ) করা হয়।” [সহীহ মুসলিম]
উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি—
“যখন কোনো মুসলিমের ওপর ফরয সালাতের সময় উপস্থিত হয়, অত:পর সে সুন্দরভাবে ওযু করে এবং অত্যন্ত একাগ্রতা ও সঠিকভাবে রুকু আদায় করে, তবে তার সেই সালাত পূর্ববর্তী সকল গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়—যতক্ষণ না সে কোনো কবিরা গুনাহ করে। আর এটি সারা জীবনের জন্যই (কার্যকর)।” [সহীহ মুসলিম]
সালাতের ফযীলত, গুরুত্ব এবং মুসাল্লীদের ওপর এর কল্যাণময় প্রভাব সম্পর্কে এত বেশি হাদীস ও
