আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

নাম ছাড়া আর কোনো সম্পর্কই নেই। ব্যক্তিত্বের এই দ্বিমুখী রূপ বা চারিত্রিক দ্বৈততা বর্তমান যুগে মুসলিমদের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ ও বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।

ফরয, রুকন ও নফল ইবাদতসমূহ পালন
একজন প্রকৃত মুসলিম ইসলামের ফরয ও রুকনসমূহ অত্যন্ত সুন্দর ও পরিপূর্ণভাবে আদায় করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো প্রকার অবহেলা, শিথিলতা কিংবা সস্তা ওজর বা ছাড় (Rukhsah) খোঁজেন না।

তিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করেন। কারণ সালাত হলো দ্বীনের খুঁটি; যে এটি কায়েম করল সে যেন দ্বীনকেই কায়েম করল, আর যে এটি পরিত্যাগ করল সে যেন দ্বীনকেই ধ্বংস করল। ইবনে মাস‘ঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী এটি সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ আমল। তিনি বলেন—

“আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম: কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন—‘সময়মতো সালাত আদায় করা।’ আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন—‘পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা।’ আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন—‘আল্লাহর পথে জিহাদ করা।’” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]

সালাত হলো বান্দা ও তার রবের মধ্যে এক সেতুবন্ধন। এর মাধ্যমে মানুষ জাগতিক সমস্ত ব্যস্ততা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পূর্ণ সত্তাসহ রবের দিকে নিবিষ্ট হয়; তাঁর কাছেই হেদায়েত, সাহায্য ও সঠিক পথের দিশা চায় এবং সিরাতুল মুস্তাকীমের ওপর অবিচল থাকার প্রার্থনা জানায়।

তাই সালাত যে সর্বোত্তম আমল হবে, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কারণ এটিই সেই প্রাচুর্যময় উৎস যা থেকে একজন মুসলিম তার তাকওয়ার পাথেয় সংগ্রহ করে। এটি সেই স্বচ্ছ ও সুশীতল ঝরনাধারা, যার প্রবাহে সে তার পাপরাশি ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়।

আবূ হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি—

“তোমরা কি মনে করো, যদি তোমাদের কারো বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে আর সে তাতে প্রতিদিন পাঁচবার

« <
/ 87
> »