আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

ও অনুগ্রহকারী রবের প্রতি কৃতজ্ঞতায় সিক্ত হয়। আর যদি সে বিপদের সম্মুখীন হয়, তবে আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে সে ধৈর্য ধরে এবং তাঁর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থাকে। এই উভয় অবস্থাই তার জন্য প্রভূত কল্যাণের আধার।

তওবাকারী ও আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী
কখনো কখনো মুমিনের মনে গাফলত বা উদাসীনতার মেঘ জমতে পারে। ফলে তার পা ফসকে যেতে পারে কিংবা সে এমন কোনো ত্রুটি করে ফেলতে পারে যা একজন অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন, অনুগত ও বিনয়ী মুমিনের জন্য শোভনীয় নয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে সে দ্রুত সচেতন হয়, সতর্ক হয় এবং গাফলতের সেই তন্দ্রা ঝেড়ে ফেলে নিজেকে জাগিয়ে তোলে। সে নিজের পদস্খলন থেকে নিজেকে মুক্ত করে এবং ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে পুনরায় রবের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসে—বিনীত ও অনুতপ্ত হৃদয়ে। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে:

إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ تَذَكَّرُوا فَإِذَا هُمْ مُبْصِرُونَ

“নিশ্চয় যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, যখন শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তাদের স্পর্শ করে, তখনই তারা (আল্লাহকে) স্মরণ করে; ফলে তৎক্ষণাৎ তাদের চোখ খুলে যায় (তারা সত্য দেখতে পায়)।” [সূরাহ আল-আ‘রাফ: ২০১]

যাদের আপনি মসজিদে বিনীতভাবে সালাত আদায় করতে দেখেন, অথচ বাজারে গেলে দেখেন তারা সুদী কারবারে লিপ্ত; কিংবা ঘরে, বাইরে, বিদ্যালয়ে বা সভা-সেমিনারে যারা নিজেদের ওপর কিংবা নিজেদের স্ত্রী-সন্তান ও অধীনস্থদের ওপর আল্লাহর বিধান কায়েম করে না—মূলত তারা ইসলামের এই পূর্ণাঙ্গ রূপটি বুঝতে এবং উপলব্ধি করতে চরম ত্রুটি ও বিভ্রান্তির শিকার। ইসলাম একজন মুসলিমের প্রতিটি কাজকে একটি মহান সত্যের দিকে পরিচালিত করে, আর তা হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি। ইসলাম মানুষকে শেখায় প্রতিটি বিষয়কে আল্লাহর সন্তুষ্টির মানদণ্ডে পরিমাপ করতে। ফলে ওইসব মানুষ ‘অর্ধ-মুসলিম’ হিসেবে প্রতিভাত হয়; হতে পারে ইসলামের সাথে তাদের

« <
/ 87
> »