আয়েশাহ’র বিয়ে ও বাল্যবিবাহ

« <
/ 9
> »

কোন মুহাদ্দিস এরকম মত পোষণ করেননি, তখন ব্যাপারটি কেমন যেন হয়ে দাঁড়ায় না?
সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হলো, সেই লোকগুলোর পড়াশোনা ও গবেষণার বিষয় কিন্তু হাদিসও না। এ যুগে যাদেরকে দেখা যায়, সহিহ বুখারির হাদিসের ব্যাপারে তাদের বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করতে, তাদের মধ্যে যারা আরব, তাদেরকে যদি হাদিসের সনদ পরিপূর্ণ তাশকিলসহ পাঠের আবেদন জানানো হয়, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, তারা সনদের সবগুলো রাবির নাম পর্যন্ত সঠিকভাবে পাঠ করতে পারবেন না। আমার তো মনে হয়, হাদিসের মূলপাঠও তারা তাশকিলবিহীন পড়তে হিমশিম খাবেন।
যদি তারা পারেনও, তবুও আমি দৃড়তার সাথে বলতে পারি, তাদের এ সম্পর্কে সামান্য জ্ঞানও নেই যে, ইমাম বুখারি এ গ্রন্থটিকে কীভাবে বিন্যস্ত করেছেন, কীভাবে সাজিয়েছেন বা স্কলারগণ এই গ্রন্থের কোথায় কেমন কী পরিমাণ ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা করেছেন। কুরআনের পর সহিহ বুখারি হলো সবচেয়ে প্রামাণ্য গ্রন্থ। তাই এ যুগে কোন ব্যক্তির জন্য সহিহ বুখারির কোন হাদিস সম্পর্কে যয়িফ দাবি করা অসম্ভব।

বর্তমান সময়ে এসে তাদের একটি নির্দিষ্ট হাদিসের ব্যাপারে অর্বাচীন ও শিশুসুলভ মন্তব্য করার আসল কারণ প্রাচ্যবিদদের অসংযত ও অমূলক মন্তব্য ও বাজে কথা। এ যুগের ওয়ারেন্টালিস্ট তাদের লিখিত বইপত্রে প্রশ্ন তুলে চুয়ান্ন বয়সের একজন বয়স্ক মানুষ কীভাবে একজন নয় বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে করতে পারে? কারণ এ যুগে এরকম বিয়ে একটা ট্যাবু হয়ে দাঁড়িয়েছে, সমাজে এখন এ ধরনের বিয়ে অগ্রহণযোগ্য।

আর অন্যদিকে মুসলিমরা নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পরাজয়মূলক ও বশ্যতাসুলভ মনোভাব নিয়ে রক্ষা করার জন্য খুবই ব্যগ্র ও উৎসুক। তারা ওদের আপত্তি শুনে এভাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে। আমাদের ভাবতে দাও ব্যাপারটি নিয়ে, এসো হাদিসের দিকে লক্ষ্য করি। আমাদের জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, বিয়ের বিষয়টাই আগাগোড়া অস্বীকার করে বলা যে, আমাদের নবি এমন কাজ করতে পারেন না। এভাবে আমরা ল্যাঠা চুকিয়ে ফেলি, এসো।

« <
/ 9
> »