আয়েশাহ’র বিয়ে ও বাল্যবিবাহ

« <
/ 9
> »

সহিহ বুখারি নিয়ে কিছু কথা

সহিহ বুখারি সম্পর্কে কিছু কথা বলে নেই আগে। বুখারি কোন কৌতুক বা হাসি তামাসার বই নয়, বা সহিহ বুখারি মাটির নিচে পুতে রাখা কোনও গুপ্তধন নয় যে বারশ বছর পর জারাহ তাদিল সম্পর্কে কোন অজ্ঞ ব্যক্তি সেটি উদ্ধার করে পাঠ করা শুরু করেছে। বরং সহিহ আল বুখারির বয়স প্রায় বারো শতাব্দী, যেদিন এ গ্রন্থটি লিপিবদ্ধ করা হয় সেদিন থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত এ গ্রন্থটি হাদিস শাস্ত্রের সাধারণ ছাত্র থেকে নিয়ে বিশেষজ্ঞগণ অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করে আসছেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এ গ্রন্থের প্রতি তাদের বিশেষ মনোযোগ নিবদ্ধ করে রেখেছেন।

আমি বলছি না যে শতশত স্কলার, বা এটাও বলছি না যে, হাজার হাজার স্কলার, বরং আমি সচেতনভাবেই বলতে পারি যে, লক্ষ লক্ষ তালেবে ইলম ও জ্ঞানী-গুণী সহিহ বুখারি পাঠ করেছেন, অধ্যয়ন করছেন এবং গবেষণা করছেন। তাদের কেউ কেউ হাদিসের সনদ নিয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করছেন, আর কেউ কেউ হাদিসের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে যাচ্ছেন। তাদের অনেকে ইমাম বুখারির হাদিসের শিরোনাম ও অধ্যায় নামকরণের ক্ষেত্রে তার বিবেচনা ও নির্বাচন রহস্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। মোটকথা, সহিহ বুখারি হচ্ছে এমন একটি গ্রন্থ যা যুগের সবচেয়ে বড় ও বিখ্যাত জ্ঞানীগুণীরা আলোচনা-পর্যালোচনা করে এসেছেন এবং আজও করে যাচ্ছেন।

তবে সহিহ বুখারিতে সামান্য কিছু হাদিস রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে অতীতে কিছু মুহাদ্দিস কথা বলেছেন। এ কথা মনে রাখতে হবে, বুখারি শরিফ একটি মানব প্রয়াস মাত্র, এটি কুরআন নয়। পৃথিবীর বুকে একমাত্র অমোঘ, অভ্রম ও ভ্রন্তিমুক্ত গ্রন্থ কেবল আল-কুরআন। তবে মুহাদ্দিসগন যে হাদিসগুলোর ব্যাপারে কথা বলেছেন আমাদের আলোচ্য হাদিসটি তার মধ্যে নেই। যে কয়েকটি হাদিসের ব্যাপারে পূর্বেকার সত্যপন্থি আলেমগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন সে কয়েকটি হাদিস ছাড়া বাকি সমস্ত হাদিস যুগ যুগ ধরে গৃহীত হয়ে আসছে, আজ পর্যন্ত একজন স্কলারও একটি হাদিসের ব্যাপারে ভিন্ন মত পোষণ করেননি। এখন এ যুগের কোন ব্যক্তি যদি হঠাৎ এমন কোন মত নিয়ে আসে, যা অতীতের

« <
/ 9
> »