আয়েশাহ’র বিয়ে ও বাল্যবিবাহ

« <
/ 9
> »

কিবোর্ড থাকে এবং এটি ওয়াই-ফাইয়ের সাথে সংযুক্ত থাকে। আমি এসব বলে সহজেই আপনাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে পারব, কারণ আপনারা কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না। তবে এখানে যদি কোন কম্পিউটার স্পেশালিষ্ট বা ইঞ্জিনিয়ার থেকে থাকেন, তাহলে এসব বেসিক ক-খ-গ-ঘ, এবং জায়গা বিশেষ অবান্তর কথাবার্তা শুনে তিনি অট্টাহাসি জুড়ে দিতে পারেন।

ইসলামের জ্ঞানসম্পন্ন বিদ্বান ব্যক্তিরা আজকাল ইসলাম নিয়ে অজ্ঞ ও অর্বাচিন লোকদের কথাবার্তা এবং উল্লিখিত প্রশ্নের মত বিশদ আলোচনার দাবি রাখে এমন জটিল বিষয়ে তাদের আলোচনাকে সাধারণত যেভাবে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার একজন সাধারণ মানুষের বেফাঁস কথাবার্তার মূল্যায়ন করে থাকেন সেভাবেই মূল্যায়ন করে থাকেন। আমার বুঝে আসে না, তারা এ ধরনের কাজ করার স্পর্ধা কীভাবে দেখায়, আমার বিবেচনায় এটা কেবল তাদের একারই দোষ নয়, বরং আমজনতারও এখানে দোষ আছে।

আমরা আজকাল সাধারণ মানুষদের মধ্যে অনেককেই বলতে শুনি ওয়াল্লহি! তার প্রচুর এলম আছে, অথচ বাস্তবতা হলো, যার কথা বলা হচ্ছে সে দুটি আরবি শব্দও ঠিকমত জানে না। তাহলে সে কীভাবে প্রচুর এলমের অধিকারী হতে পারে! তুমি আরবি ভাষা মোটেই জানো না, অথচ তুমি একজনকে বলে বেড়াচ্ছ সে প্রচুর জ্ঞানের অধিকারী। যদি এসমস্ত লোকেরা যাদেরকে মানুষ মহাজ্ঞানী ভাবে, তারা যদি আলিমদের সামনে সহিহ বুখারির কিছু হাদিসে সমস্যা আছে এ ধরনের উদ্ভট ও আজগুবি কথা তুলে, তখন তারা তাদের কথা শুনে যারপরনাই হাসতেই থাকবেন।

আয়েশাহ’র বিয়ে ও বাল্যবিবাহ

যারা উক্ত হাদিস নিয়ে কথা বলেছেন, তাদের একজনকে আমি শনাক্ত করতে পারব, তিনি হচ্ছেন, আব্বাস মাহমুদ আল আক্কাদ, যিনি এ হাদিসকে যয়িফ গণ্য করেছেন। বলে রাখি, হাদিস তার গবেষণার বিষয় ছিল না। তবে তিনি অন্যান্য ক্ষেত্রে কিছু ভাল কাজ রেখে গেছেন, তবে হাদিসশাস্ত্রের উপর তিনি কোন কাজ রেখে যান নি। কিছু কলামিস্ট আব্বাস আল আক্কাদকে অনুসরণ করে থাকে। তবে এসব বেফাঁস কথা ও জবানদারাজির মূল উৎস হলো নয় বছর বয়সী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিয়ে করার প্রেক্ষিতে প্রাচ্যবিদদের পক্ষ থেকে নিন্দা ও সমালোচনা।

« <
/ 9
> »