আয়েশাহ’র বিয়ে ও বাল্যবিবাহ

« <
/ 9
> »

আয়েশার বিয়ে আমাদের অহংকার:

[শাইখ মুসা জিবরিলকে উদ্দেশ্য করে একজন শ্রোতা প্রশ্ন করলে তিনি বিশদভাবে তার প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।1]
অনেকে বলে থাকে, সহিহ বুখারির যে হাদিসটিতে বর্ণিত আছে যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে ছয় বছর বয়সে বিয়ে করেন এবং নয় বছর বয়সে তিনি নবিজির ঘরে যান সে হাদিসটি সহিহ না। এ নিয়ে এখন তুমুল বিতর্ক চলছে, আপনার কাছে এ বিষয়ের উপর একটু আলোকপাত করার অনুরোধ রইল।

تزوجت وهي بنت سبع سنين وزفت )

আপনি যে হাদিস সম্পর্কে আলোচনা করেছেন সেটি সহিহ বুখারিতে আছে, এই হাদিসটি সহিহ বুখারির মধ্যকার অন্য সমস্ত হাদিসের মতই একই পর্যায়ের সহিহ ও প্রামাণিক। আমি নিশ্চিত নই, যারা এই হাদিসকে সহিহ মনে করে না তাদের ‘অনেকে, বলে আপনি কাদেরকে বুঝাতে চাচ্ছেন।

তবে পূর্বঅধ্যয়ন ও গবেষণার উপর ভিত্তি করে আমি বলতে পারি হাতে-গণা কয়েকজন মুসলিম মর্ডানিস্ট এসব বলে থাকে, যাদেরকে দেখা যায়, কয়েকটি বইপত্র ঘেটেই হাদিসের মান নির্ধারণ ও শ্রেণীবিভাজনের ক্ষেত্রে ইমাম বুখারি রহ.-এর সাথে পাল্লা দেওয়ার জন্য মাঠে নেমে পড়ে, এছাড়াও এদের আরেকটি লক্ষ্মণ হলো, এদের মধ্যে দ্বীনের অনেক ক্ষেত্রেই এক প্রকারের পরাজয়মূলক ও বশ্যতা সুলভ মনোভাব লক্ষ্য পরিলক্ষিত হয়।

জ্ঞানের যে কোন শাখায় যখন কেউ যদি সে বিষয়ের জ্ঞান লাভ না করেই এবং পড়াশোনা ছাড়াই আলোচনা জুড়ে দেয়, আর অন্যদিকে যদি তার শ্রোতারাও সম্পূর্ণ অজ্ঞ হয়ে থাকে, তখন সে তাদেরকে কথার যাদু দিয়ে মন্ত্রগ্রস্ত করে ফেলে। আমি যদি আপনাদের সামনে কম্পিউটার সম্পর্কে কথা বলতে শুরু করি, আমি যদি বলি “এই যে দেখ, এটা হলো একটি কম্পিউটার, আর সেটি হলো আরেকটি কম্পিউটার, এসব যা দেখছ সবগুলোই কম্পিউটার। প্রতিটি কম্পিউটারে একটি মনিটর থাকে, একটি


১ শায়েখ মুসা জিবরিল হাফিজাহুল্লাহু-এর We Are Proud of Our Prophet’s Marriage to Aishah বক্তৃতার সরল অনুবাদ।

« <
/ 9
> »