আলো, আমার দুঃখের অবসান এবং আমার দুশ্চিন্তা মুক্তির কারণ।’
নবীজি ﷺ আরও বললেন, “যেকোনো বান্দা যখনই এই দোয়াটি পড়বে, আল্লাহ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং বিষণ্ণতার পরিবর্তে তাকে অনাবিল প্রশান্তি দান করবেন।” সাহাবীরা আরজ করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কি এই শব্দগুলো শিখে নেব না?” তিনি বললেন, “অবশ্যই, যে ব্যক্তিই এই দোয়াটি শুনবে, তার উচিত তা শিখে নেওয়া।”
৭. নবীজি ﷺ-এর বিনয় ও করুণা
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
اللَّهُمَّ فَأَيُّمَا عَبْدٍ غَضِبْتُ عَلَيْهِ أَوْ سَبَبْتُهُ فِي غَيْرِ كُنْهِهِ فَاجْعَلْهَا لَهُ صَلَاةً وَرَحْمَةً
বঙ্গানুবাদ: হে আল্লাহ! আমি তো একজন মানুষ; মানুষের মতো আমারও রাগ হয়, মানুষের মতো আমিও (কখনো কখনো আক্ষেপে) কড়া কথা বলে ফেলি। তাই আমি যদি কখনো কোনো মুসলিম বান্দার ওপর রাগান্বিত হই কিংবা যথাযথ কারণ ছাড়া তাকে তিরস্কার করি, তবে হে আল্লাহ! আপনি সেটাকে তার জন্য বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমতে পরিণত করে দিন।”
৮. সৌভাগ্যের চাবিকাঠি: তিন স্তরের বিশেষ দোয়া
বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত: নবীজি ﷺ আমাকে বললেন, “আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না, আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকেই কেবল তা শেখান এবং এরপর তিনি তাকে তা আর কখনো ভুলিয়ে দেন না? তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّ فِي رِضَاكَ ضَعْفِي، وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِي، وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهَى رِضَائِي، اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي، وَإِنِّي ذَلِيلٌ فَأَعِزَّنِي، وَإِنِّي فَقِيرٌ فَارْزُقْنِي
বঙ্গানুবাদ: ‘হে আল্লাহ! আমি অত্যন্ত দুর্বল, আপনি আপনার সন্তুষ্টির পথে আমার এই দুর্বলতাকে শক্তিতে রূপান্তর করে দিন। কল্যাণের পথে আমাকে পরিচালিত করুন এবং ইসলামকেই আমার পরম তৃপ্তির শেষ সীমানা বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আমি দুর্বল, আমাকে শক্তি দিন; আমি অপদস্থ, আমাকে মর্যাদা দিন এবং আমি রিক্ত-নিঃস্ব, আমাকে রিজিক দান করুন।”
৯. জান্নাতের নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি ও প্রশান্তির ঘুম
উসাইদ ইবনে হুদাইর (রা.) থেকে বর্ণিত: একদা নবী কারিম ﷺ তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, “আমি কি তোমাকে এমন একটি আমলের কথা বলব না, যা করলে তুমি যদি সেই রাতেই মৃত্যুবরণ করো তবে সোজা জান্নাতে প্রবেশ করবে; আর যদি বেঁচে থাকো তবে অত্যন্ত কল্যাণের সাথে জীবন অতিবাহিত করবে?
যখন তুমি ঘুমানোর জন্য বিছানায়
