যাবে, তখন তোমার ডান হাতটি ডান গালের নিচে রাখবে, এরপর বলবে—
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لَا مَلْجَأَ وَلَا مَنْجَا مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِرَسُولِكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ
বঙ্গানুবাদ: ‘হে আল্লাহ! আমি নিজেকে আপনার কাছে সঁপে দিলাম, আমার চেহারা আপনার দিকেই ফেরালাম এবং আমার সমস্ত বিষয় আপনার ওপর ন্যস্ত করলাম। আমি আপনারই ওপর ভরসা করলাম—আপনার পুরস্কারের আশায় এবং আপনার শাস্তির ভয়ে। আপনি ছাড়া কোনো আশ্রয়স্থল নেই, আপনার ধরা থেকে বাঁচারও কোনো উপায় নেই—একমাত্র আপনার কাছে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া। আমি বিশ্বাস এনেছি আপনার নাজিল করা কিতাবের ওপর এবং আপনার প্রেরিত রাসুলের ওপর।’
১০. জান্নাত ও জাহান্নামের ফয়সালা
জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, “দুটি বিষয় জান্নাত বা জাহান্নামকে অনিবার্য করে তোলে: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক না করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি শিরক করা অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।” তাকে প্রশ্ন করা হলো, “তার কুফরির স্পষ্ট প্রমাণ বা লক্ষণ কী?” তিনি উত্তর দিলেন, “নামাজ ত্যাগ করা।”
১১. কৃতজ্ঞতাবোধের শিক্ষা
আশআছ ইবনে কায়েস (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী কারিম ﷺ ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ হতে পারে না।”
১২. উম্মতের ওপর আল্লাহর বিশেষ রহমত
আবু বুরদাহ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: জিয়াদের শাসনকালে আমি একদিন বাজারে দাঁড়িয়ে ছিলাম। (মুসলমানদের পারস্পরিক বিবাদ দেখে) আমি অবাক হয়ে এক হাতের ওপর অন্য হাত মারলাম। তখন জনৈক আনসারি ব্যক্তি—যার পিতা নবীজি ﷺ-এর সাহাবী ছিলেন—আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আবু বুর্দা! আপনি কিসে এত অবাক হচ্ছেন?”
আমি আক্ষেপ করে বললাম, “আমি অবাক হচ্ছি এই কওমের অবস্থা দেখে! যাদের দ্বীন এক, নবী এক, আহ্বান এক, যাদের হজ ও জিহাদও এক—অথচ তারা একে অপরকে হত্যা করাকে বৈধ মনে করছে!”
শুনে তিনি বললেন, “অবাক হবেন না। আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি নবীজি ﷺ-কে বলতে শুনেছেন:
‘আমার এই উম্মত হলো মহান আল্লাহর রহমতপ্রাপ্ত উম্মত। পরকালে তাদের ওপর (অন্যদের মতো কঠিন) হিসাব বা আজাব হবে না। তাদের আজাব তো মূলত
