করেছেন; যা পবিত্র কুরআনের অন্তর্ভুক্ত, আবার কুরআনের বাইরের জিকির হিসেবেও পঠিত। বাক্যগুলো হলো—
«سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ»
বঙ্গানুবাদ: আল্লাহ পরম পবিত্র, সকল প্রশংসা আল্লাহর, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
৯৭. আমলের ঘাটতি পূরণের সহজ পথ
উবাইদ ইবনে উমাইর আল-লাইসি (রাহ.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, “আল্লাহ তাআলা তোমাদের মধ্যে তোমাদের স্বভাব-চরিত্র বণ্টন করেছেন—যেভাবে তিনি তোমাদের মাঝে রিজিক বণ্টন করেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ দুনিয়া তাকেও দেন যাকে তিনি ভালোবাসেন এবং তাকেও দেন যাকে তিনি ভালোবাসেন না। কিন্তু ঈমান তিনি কেবল তাকেই দান করেন, যাকে তিনি পছন্দ করেন।
সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহস পাও না, যারা সারা রাত জেগে ইবাদত করতে অক্ষম এবং যারা সম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃপণতা বোধ করো—তারা যেন অধিক পরিমাণে ‘তাসবিহ’ (সুবহানাল্লাহ), ‘তাহমিদ’ (আলহামদুলিল্লাহ), ‘তাকবির’ (আল্লাহু আকবার) এবং ‘তাহলিল’ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠ করে।”
৯৮. আল্লাহর স্মরণের মহিমা
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত: কুরআনের আয়াত— “আর আল্লাহর জিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ” [আনকাবুত: ৪৫] প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মূল রহস্য লুকিয়ে আছে অন্য একটি আয়াতে— “তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদের স্মরণ করব” [বাকারা: ১৫২]। সুতরাং তোমাদের আল্লাহকে স্মরণের চেয়েও— “আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের স্মরণ করা অনেক বেশি মহিমান্বিত ও বড়।”
৯৯. সব অবস্থায় জিকিরের অনুমতি
কাব (রাহ.) থেকে বর্ণিত: মুসা (আ.) আল্লাহর দরবারে আরজি পেশ করলেন— “হে আমার প্রতিপালক! জীবনের এমন কিছু পরিস্থিতি বা অবস্থা থাকে যখন আমরা আপনাকে স্মরণ করাকে আপনার মর্যাদার জন্য সমীচীন মনে করি না (যেমন অপবিত্রতা বা শৌচাগারে থাকা কালীন অবস্থা)।” আল্লাহ জবাবে বললেন—
«يَا مُوسَى اذْكُرْنِي عَلَى كُلِّ حَالٍ»
অর্থাৎ: হে মুসা! তুমি আমাকে প্রতিটি অবস্থায় স্মরণ করো।
১০০. উমর (রা.)-এর শেখানো ব্যাপক জিকির
সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রাহ.) থেকে বর্ণিত: উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এক ব্যক্তিকে জপমালা দিয়ে তাসবিহ গুনতে দেখলেন। তখন উমর (রা.) বললেন— “তোমার জন্য তো এটুকুই যথেষ্ট যে তুমি বলবে:
«سُبْحَانَ اللَّهِ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شَاءَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ السَّمَوَاتِ، وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شَاءَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، وَاللَّه أَكْبَرُ كَبِيرًا مِلْءَ السَّمَوَاتِ، وَمِلْءَ
