এখন তোমার পরিবারের কারো চেয়েও তুমি আমার কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠেছ। এখন তোমার যা চাওয়ার আছে আমার কাছে চাও’।”
৮৭. জিহাদ ও দানের চেয়েও প্রিয় জিকির
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এবং আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)-এর আলাপচারিতা: ইবনে মাসউদ (রা.) বললেন, “ঘর থেকে বেরিয়ে কাজ শেষ করে ফেরা পর্যন্ত আমি যদি— ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আল্লাহু আকবার’ বলি, তবে তা আমার কাছে এই পরিমাণ সংখ্যক শ্রেষ্ঠ ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করার চেয়েও বেশি প্রিয়।”
উত্তরে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বললেন, “আমি যদি এই বাক্যগুলো বলি, তবে তা আমার কাছে এই পরিমাণ সংখ্যক স্বর্ণমুদ্রা (দিনার) আল্লাহর রাস্তায় দান করার চেয়েও বেশি প্রিয়।”
৮৮. আরাফাতের সন্ধ্যার শ্রেষ্ঠ দোয়া
আবদুর রহমান ইবনে শাতার (রাহ.) থেকে বর্ণিত: আমি মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহকে জিজ্ঞেস করলাম, “আরাফাতের সন্ধ্যায় আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিয় জিকির কোনটি?” তিনি বললেন—
«لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ»
বঙ্গানুবাদ: “আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।”
৮৯. আল্লাহর প্রিয়তম চারটি বাক্য
জনৈক সাহাবী (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম ﷺ ইরশাদ করেছেন:
«إِنَّ أَحَبَّ الْكَلَامِ إِلَى اللَّهِ أَرْبَعٌ، لَا يَضُرُّكَ بِأَيِّهِنَّ بَدَأْتَ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ»
বঙ্গানুবাদ: “আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বাক্য হলো চারটি। এগুলোর যেটি দিয়েই তুমি শুরু করো না কেন, তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বাক্যগুলো হলো— ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহ পবিত্র), ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সকল প্রশংসা আল্লাহর), ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) এবং ‘আল্লাহু আকবার’ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)।”
৯০. সফরের উচ্চতা ও অবনতির জিকির
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, “সফরকালে আমরা যখন কোনো উঁচুতে আরোহণ করতাম, তখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলতাম; আর যখন নিচে অবতরণ করতাম, তখন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলতাম।”
৯১. জিকির বনাম দাস মুক্ত করা
আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত: এক ব্যক্তি একশত জন দাস মুক্ত করেছে—এমন সংবাদ শুনে তিনি বললেন, “এক ব্যক্তির সম্পদ থেকে একশত দাস মুক্ত করা নিঃসন্দেহে অনেক বড় কাজ। কিন্তু তার চেয়েও উত্তম কাজ হলো—দিন-রাত ঈমানের ওপর অবিচল থাকা এবং সবসময় আল্লাহর জিকিরে নিজের জিহ্বাকে সিক্ত রাখা।”
৯২. সাতটি উত্তম কাজের গুরুত্ব
মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রাহ.) থেকে বর্ণিত: তিনি
