বাড়িতে বা নিজের সম্পদের (কলকারখানা/বাগান) দেখাশোনায় তার শ্রমিকদের সাথে মিলে কাজ করে, তবে সে আল্লাহর কর্মীদের (আমিল) একজন হিসেবে গণ্য হয়।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: উঁচু অট্টালিকা নির্মাণের প্রতিযোগিতা
৪৪৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন: “ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না, যতক্ষণ না মানুষ দালানকোঠা বা অট্টালিকা নির্মাণে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা (উঁচু করার লড়াই) করবে।” (মান: সহীহ)
৪৫০. হযরত হাসান বসরী (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “আমি হযরত উসমান (রা.)-এর খিলাফতকালে নবীজী ﷺ-এর পবিত্র স্ত্রীদের ঘরে প্রবেশ করতাম এবং (দাঁড়িয়ে) হাত বাড়িয়ে তাদের ঘরের ছাদ স্পর্শ করতে পারতাম।” (মান: সহীহ)
৪৫১. দাউদ ইবনে কায়স (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “আমি নবীজী ﷺ-এর হুজরা বা কক্ষগুলো দেখেছি যা খেজুরের ডাল দিয়ে তৈরি ছিল এবং বাইরের দিকটা পশমের কালো কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিল। আমার ধারণা মতে, হুজরার দরজা থেকে ঘরের দরজার প্রস্থ ছিল প্রায় ৬ বা ৭ হাত এবং ভেতরের কক্ষটি ছিল ১০ হাতের মতো। ছাদের উচ্চতা ছিল ৭ বা ৮ হাতের মতো। আমি হযরত আয়েশা (রা.)-এর দরজায় দাঁড়িয়ে দেখলাম তা পশ্চিমমুখী ছিল।” (মান: সহীহ)
৪৫২. আবদুল্লাহ আল-রূমী (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমি উম্মে তালক (রা.)-এর ঘরে প্রবেশ করে বললাম, “আপনার ঘরের ছাদ এতো নিচু কেন?” তিনি বললেন: “হে বৎস! আমিরুল মুমিনীন উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) তাঁর গভর্নরদের কাছে লিখে পাঠিয়েছিলেন যে, তোমরা তোমাদের ভবনগুলো উঁচু করো না; কেননা এটি তোমাদের জন্য অশুভ সময়ের লক্ষণ।” (মান: য‘ঈফ)
পরিচ্ছেদ: ঘর নির্মাণকারী
৪৫৩. হাব্বা ইবনে খালেদ ও সাওয়া ইবনে খালেদ (রা.) থেকে বর্ণিত— তাঁরা নবীজী ﷺ-এর কাছে আসলেন যখন তিনি তাঁর কোনো একটি দেয়াল বা ঘর মেরামতের কাজ করছিলেন; তাঁরা তাঁকে সেই কাজে সাহায্য করলেন। (মান: য‘ঈফ)
৪৫৪. কায়স ইবনে আবি হাযিম (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমরা হযরত খাব্বাব (রা.)-কে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে গেলাম। (কঠিন রোগের কারণে) তাঁর পেটে সাতটি দাগ দেওয়া হয়েছিল (তৎকালীন চিকিৎসা)। তিনি বললেন: “আমাদের সেই সব সাথী যারা চলে গেছেন (সাহাবীগণ), দুনিয়া তাদের সওয়াবে কোনো ঘাটতি করতে পারেনি। আর আমরা এতো সম্পদ পেয়েছি যার মাটি (ঘর নির্মাণ) ছাড়া আর কোনো জায়গা
