মিথ্যা কসম খেতে পারে)।” অবশেষে রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজ পক্ষ থেকে (সরকারি কোষাগার থেকে) ওই ব্যক্তির রক্তপণ আদায় করে দিলেন। সাহল (রা.) বলেন, সেই রক্তপণের উটের মধ্য থেকে একটি উটনী আমার মনে আছে, যেটি তাদের খোঁয়াড়ে থাকাকালীন আমাকে লাথি মেরেছিল। (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: বড়রা কথা না বললে ছোটরা কি কথা বলতে পারবে?
৩৬০. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ একদা বললেন: “আমাকে এমন একটি গাছ সম্পর্কে বলো, যার উদাহরণ একজন মুসলিমের মতো। তা নিজ রবের নির্দেশে সর্বদা ফল দান করে এবং তার পাতা ঝরে পড়ে না।” ইবনে উমর (রা.) বলেন, “আমার মনে হলো এটি ‘খেজুর গাছ‘। কিন্তু আমি কথা বলতে সংকোচ বোধ করলাম, কারণ সেখানে আবু বকর ও উমর (রা.) উপস্থিত ছিলেন (এবং তাঁরা চুপ ছিলেন)। যখন তাঁরা কেউ কথা বললেন না, তখন নবীজী ﷺ নিজেই বললেন: “এটি হলো খেজুর গাছ।”
অতঃপর আমি যখন আমার পিতার (উমর রা.) সাথে বের হলাম, তখন বললাম, “হে আব্বা! আমার মনে এসেছিল যে ওটা খেজুর গাছ।” তিনি বললেন, “তোমাকে বলতে কে বাধা দিয়েছিল? তুমি যদি তা বলতে, তবে তা আমার কাছে অমুক অমুক জিনিসের (দামী সম্পদ) চেয়েও বেশি প্রিয় হতো।” ইবনে উমর (রা.) বললেন, “আপনি এবং আবু বকর (রা.) কথা বলছিলেন না—এটি দেখেই আমি কথা বলা অপছন্দ করেছি (অর্থাৎ আপনাদের বড় মনে করে চুপ থেকেছি)।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: বড়দের সর্দার বা নেতা বানানো
৩৬১. হাকীম ইবনে কায়েস ইবনে আসিম (রহ.) থেকে বর্ণিত— তাঁর পিতা (কায়েস ইবনে আসিম রা.) মৃত্যুশয্যায় সন্তানদের অসিয়ত করে বললেন: “তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় তাকে সর্দার (নেতা) মান্য করো। কারণ কোনো কওম যখন তাদের বড়দের নেতা বানায়, তখন তারা তাদের পিতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার মর্যাদা পায়। আর যখন তারা তাদের ছোটদের নেতা বানায়, তখন তা সমমনাদের কাছে তাদের তুচ্ছ ও হেয় প্রতিপন্ন করে।”
তিনি আরও বললেন: “তোমরা সম্পদ উপার্জন ও তা সংরক্ষণের (সঠিক ব্যবহারের) যত্ন নিও; কেননা তা শরীফ বা সম্মানিত ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং এর মাধ্যমে নিচ (কৃপণ) ব্যক্তির মুখাপেক্ষী হতে হয় না। মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে বেঁচে থেকো,
