আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

দোয়া করলেন। (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: সাক্ষাতের সময় সুন্দর পোশাক পরিধান

৩৪৮ (১). আবু খালদাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আব্দুল কারীম আবু উমাইয়া একবার আবু আলিয়া (রহ.)-এর নিকট আসলেন, তখন তাঁর পরনে ছিল পশমি কাপড় (সুফ)। আবু আলিয়া (রহ.) তা দেখে বললেন: “এগুলো তো বৈরাগ্যবাদীদের (রোহবান) পোশাক। অথচ মুসলিমদের নিয়ম হলো— যখন তারা একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ করতে যেত, তখন তারা সুন্দর পোশাকে সজ্জিত হতো।” (মান: সহীহ মাকতু)

৩৪৮ (২). হযরত আসমা (রা.)-এর মুক্তদাস আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আসমা (রা.) আমার সামনে একটি ‘তয়ালিসা’ (পারস্য দেশীয় এক প্রকার উন্নত চাদর বা জুব্বা) বের করলেন, যার কলারের অংশে এক বিঘত পরিমাণ রেশমি কাপড় লাগানো ছিল এবং এর দুই হাতা বা পকেটও রেশম দিয়ে মোড়ানো ছিল। তিনি বললেন: “এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জুব্বা; তিনি এটি বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাতের সময় এবং জুমার দিন পরিধান করতেন।” (মান: হাসান)

৩৪৯. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: (তাঁর পিতা) উমর (রা.) একটি রেশমি পোশাক (ইস্তাবরাক) পেলেন। তিনি সেটি নবী করীম ﷺ-এর কাছে নিয়ে এসে বললেন, “আপনি এটি কিনে নিন এবং জুমার দিনে ও প্রতিনিধি দলের আগমনের সময় পরিধান করবেন।” নবীজী ﷺ বললেন: “এটি কেবল তারাই পরে যাদের আখেরাতে কোনো অংশ নেই (অর্থাৎ রেশম পুরুষদের জন্য হারাম)।” পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে কয়েকটি রেশমি পোশাক আসলে তিনি উমর (রা.), উসামা (রা.) ও আলী (রা.)-এর নিকট একটি করে পাঠিয়ে দিলেন। উমর (রা.) এসে বললেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমার কাছে এটি পাঠালেন? অথচ আমি আপনাকে এই পোশাক সম্পর্কে (নিষেধাজ্ঞার) কথা বলতে শুনেছি।” নবীজী ﷺ বললেন: “আমি এটি তোমাকে পরার জন্য দেইনি; বরং তুমি এটি বিক্রি করে দাও অথবা এর দ্বারা তোমার অন্য কোনো প্রয়োজন পূরণ করো।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: পারস্পরিক সাক্ষাতের ফজিলত

৩৫০. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “এক ব্যক্তি অন্য এক গ্রামে তার এক (দ্বীনি) ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে রওয়ানা হলো। আল্লাহ তাআলা তার চলার পথে একজন ফেরেশতা পাঠিয়ে দিলেন। ফেরেশতা তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’ সে উত্তর দিল, ‘এই গ্রামে আমার এক ভাই আছে, তার সাথে দেখা

« <
/ 122
> »