আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

বিদ্বেষ হলো ‘মুণ্ডনকারী‘। আমি বলছি না যে তা চুল মুণ্ডন করে, বরং তা দ্বীনকে মুণ্ডন (বিনাশ) করে দেয়।” (মান: হাসান লিগাইরিহি)

পরিচ্ছেদ: হৃদ্যতা ও সম্প্রীতি

২৬১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “দুইজন মুমিনের রূহ (আত্মা) একদিনের দূরত্বে থাকলেও একে অপরের সাথে মিলিত হয়, যদিও তারা কেউ কাউকে কোনোদিন দেখেনি।” (মান: য‘ঈফ)

২৬২. হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “মানুষের উপকার অস্বীকার করা হতে পারে, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন হতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের মৈত্রীর (আকর্ষণ) মতো গভীর কিছু আমরা দেখিনি।” (মান: সহীহ)

২৬৩. উমাইর ইবনে ইসহাক (রহ.) থেকে বর্ণিত— আমরা বলাবলি করতাম যে, “মানুষের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম যে জিনিসটি উঠিয়ে নেওয়া হবে, তা হলো হৃদ্যতা বা সম্প্রীতি।” (মান: য‘ঈফ)

পরিচ্ছেদ: রসিকতা ও কৌতুক

২৬৪. হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ তাঁর কয়েকজন স্ত্রীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তাঁদের সাথে উম্মে সুলাইম (রা.)-ও ছিলেন। তখন আনজাশা (রা.) নামক এক সাহাবী উট চালনার গান (হুদা) গেয়ে দ্রুত উট চালাচ্ছিলেন। নবীজী ﷺ (রসিকতা করে) বললেন: “হে আনজাশা! কাঁচের পাত্রগুলো (নারীদের) নিয়ে একটু ধীরে চলো।” (মান: সহীহ)

২৬৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— সাহাবীগণ আরজ করলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাদের সাথে রসিকতা করেন?” তিনি বললেন: “আমি (রসিকতা করলেও) সত্য ছাড়া কিছু বলি না।” (মান: সহীহ)

২৬৬. বকর ইবনে আবদুল্লাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “নবীজী ﷺ-এর সাহাবীগণ (আনন্দ করতে গিয়ে) একে অপরের দিকে তরমুজ ছুঁড়ে মারতেন। কিন্তু যখনই কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা গুরতর পরিস্থিতির (জিহাদ বা দ্বীনি দায়িত্ব) সম্মুখীন হতেন, তখন তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত বীর পুরুষ।” (মান: সহীহ)

২৬৮. হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত— এক ব্যক্তি নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে একটি সওয়ারি (বাহন) চাইল। তিনি বললেন: “আমি তোমাকে উটের বাচ্চার ওপর সওয়ার করাব।” লোকটি বলল, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! উটের বাচ্চা দিয়ে আমি কী করব (সে তো ভার বইতে পারবে না)?” নবীজী ﷺ বললেন: “উট কি উটনীর বাচ্চা ছাড়া আর কিছু হয়?” (অর্থাৎ সব উটই তো কোনো না কোনো উটনীর বাচ্চা)। (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: শিশুদের সাথে রসিকতা

২৬৯. হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.)

« <
/ 122
> »