আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

থেকে তার হক বুঝে নিক—তার চেয়ে দুনিয়ার সম্পদ তাকে দিয়ে দেওয়া আমার কাছে অনেক বেশি সহজ মনে হয়েছে।” (মান: সহীহ)

১৮৮. হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ অধীনস্তদের সাথে সদাচরণের অসিয়ত করতেন এবং বলতেন: “তোমরা যা খাও তাদেরও তা-ই খাওয়াও, যা পরো তা-ই পরাও এবং আল্লাহর সৃষ্টিকে কষ্ট দিও না।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: গোলামদের গালি দেওয়া

১৮৯. মা‘রুর ইবনে সুওয়াইদ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, আমি আবু যার (রা.)-কে দেখলাম তাঁর গায়ে একটি উন্নত মানের পোশাক এবং তাঁর গোলামের গায়েও হুবহু সেই মানের পোশাক। আমরা তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: “একদা আমি এক ব্যক্তিকে গালি দিয়েছিলাম এবং তাকে তার মায়ের তুচ্ছতা তুলে খোটা দিয়েছিলাম। লোকটি নবীজী ﷺ-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি আমাকে বললেন— ‘তুমি কি তাকে তার মায়ের নাম ধরে লজ্জা দিলে? তুমি তো এমন ব্যক্তি যার মধ্যে এখনো জাহেলিয়াতের প্রভাব রয়ে গেছে!’ এরপর তিনি বললেন: ‘তোমাদের এই অধীনস্তরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদের তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। তাই যার ভাই তার অধীনে আছে, সে যেন তাকে তা-ই খাওয়ায় যা সে নিজে খায় এবং তা-ই পরায় যা সে নিজে পরে। তাদের সাধ্যের অতীত কোনো কাজের বোঝা দিও না। আর যদি কঠিন কোনো কাজ দাও, তবে নিজেরাও তাদের সাহায্য করো‘।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: সেবককে কি কাজে সাহায্য করা যাবে?

১৯০. জনৈক সাহাবী (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তোমাদের গোলামরা তোমাদেরই ভাই। অতএব তাদের সাথে সদাচরণ করো। তোমাদের সাধ্যের বাইরের কাজে তাদের সাহায্য নাও এবং তাদের সাধ্যের বাইরের কাজে তোমরা তাদের সাহায্য করো।” (মান: য‘ঈফ)

১৯১. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “তোমাদের সেবককে তার কাজে সাহায্য করো। কারণ আল্লাহর শ্রমিক (অর্থাৎ যে ব্যক্তি অন্যের সেবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) কখনো বিফল হয় না।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: দাসের ওপর সাধ্যাতীত কাজের বোঝা চাপানো যাবে না

১৯২. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “দাসের অন্ন ও বস্ত্রের অধিকার রয়েছে এবং তার ওপর এমন কোনো কাজের বোঝা চাপানো যাবে না যা করার সাধ্য তার নেই।” (মান: সহীহ)

১৯৩.

« <
/ 122
> »