সাথে মিশে থাকে।” (বর্ণনাকারী সুফিয়ান মধ্যমা ও তর্জনী আঙুলের ইশারার ব্যাপারে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন)। (মান: সহীহ)
১৩৪. হাসান বসরী (রহ.) থেকে বর্ণিত— জনৈক এতিম শিশু ইবনে উমর (রা.)-এর সাথে দস্তরখানে বসে খাবার খেত। একদিন খাবার উপস্থিত হলে ইবনে উমর (রা.) ওই এতিম শিশুটিকে খুঁজলেন, কিন্তু তাকে পাওয়া গেল না। ইবনে উমর (রা.)-এর খাওয়া শেষ হওয়ার পর শিশুটি ফিরে এল। তখন ইবনে উমর (রা.) তার জন্য খাবার চাইলেন, কিন্তু ঘরে তখন (তৈরি করা) কোনো খাবার অবশিষ্ট ছিল না। তখন তিনি শিশুটির জন্য ছাতু ও মধু নিয়ে এলেন এবং বললেন, “নাও এটি খাও; আল্লাহর কসম! তুমি কোনো লোকসানে পড়োনি (তথা আগের খাবারের চেয়ে এটি কোনো অংশে কম নয়)।” হাসান বসরী (রহ.) বলেন, “আল্লাহর কসম! ইবনে উমর (রা.)-ও লোকসানে পড়েননি (বরং তিনি বড় সওয়াব অর্জন করেছেন)।” (মান: য‘ঈফ)
১৩৫. হযরত সাহল ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “আমি এবং এতিমের দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে এইভাবে থাকব।” এই বলে তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন। (মান: সহীহ)
১৩৬. আবু বকর ইবনে হাফস (রহ.) থেকে বর্ণিত— হযরত আবদুল্লাহ (রা.) এমন ছিলেন যে, তাঁর দস্তরখানে কোনো এতিম শিশু উপস্থিত না থাকা পর্যন্ত তিনি খাবার খেতেন না। (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: সর্বোত্তম ঘর সেটিই যাতে এতিমের প্রতি সদয় আচরণ করা হয়
১৩৭. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন: “মুসলমানদের ঘরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম ঘর সেটিই, যে ঘরে এতিম রয়েছে এবং তার প্রতি সদাচরণ করা হয়। আর মুসলমানদের ঘরগুলোর মধ্যে নিকৃষ্টতম ঘর সেটি, যে ঘরে এতিম আছে কিন্তু তার প্রতি মন্দ আচরণ করা হয়। আমি এবং এতিমের লালন-পালনকারী জান্নাতে এই দুটির মতো থাকব।” এই বলে তিনি নিজের দুই আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন। (মান: এতিমের প্রতি সদাচরণ সংক্রান্ত অংশটি য‘ঈফ, তবে এতিমের দায়িত্বশীলের ফযিলত সংক্রান্ত অংশটি সহিহ)।
পরিচ্ছেদ: এতিমের জন্য দয়ালু পিতার মতো হও
১৩৮. আবদুর রহমান ইবনে আবযা (রা.) থেকে বর্ণিত— হযরত দাউদ (আ.) বলতেন: “এতিমের জন্য দয়ালু পিতার মতো হও। জেনে রেখো, তুমি যা বপন করবে ঠিক তাই কাটেবে (অর্থাৎ আজ অন্যের এতিমকে দয়া করলে কাল তোমার সন্তানও দয়া
