ﷺ মুচকি হাসলেন এবং বললেন: “এ তো আবু বকরেরই মেয়ে (অর্থাৎ বাপের মতোই বুদ্ধিমতী ও বাগ্মী)!” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: দুর্ভিক্ষ ও অভাবের সময় পারস্পরিক সহযোগিতা
৫৬০. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “শেষ জমানায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে। যার সামনে সেই সময় আসবে, সে যেন ক্ষুধার্তদের (খাওয়ানোর) চেয়ে অন্য কিছুকে প্রাধান্য না দেয়।” (মান: য‘ঈফ)
৫৬১. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— আনসারী সাহাবীগণ নবীজী ﷺ-কে বললেন, “আমাদের খেজুর বাগানগুলো আমাদের এবং মুহাজির ভাইদের মধ্যে অর্ধেক ভাগ করে দিন।” নবীজী ﷺ বললেন: “না (তা করার দরকার নেই)।” তখন আনসারীরা বললেন, “তবে মুহাজিররা আমাদের বাগানের কাজে সাহায্য করুক, আর আমরা ফসলের অর্ধেক তাদের দিয়ে দেব।” তখন সবাই বললেন: “আমরা শুনলাম ও মানলাম।” (মান: সহীহ)
৫৬২. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত— খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) দুর্ভিক্ষের বছর (যখন মদীনা ও তার আশেপাশে চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়) অভাবীদের জন্য গ্রামগঞ্জ থেকে উট, গম ও তেল সংগ্রহ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেন। অতঃপর তিনি আল্লাহর কাছে বৃষ্টি ও রিজিকের দোয়া করলেন। যখন বৃষ্টি হলো এবং বিপদ কাটল, উমর (রা.) বললেন: “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর কসম! যদি এই বিপদ দূর না হতো, তবে আমি মদীনার প্রতিটি সচ্ছল পরিবারের ওপর সমপরিমাণ অভাবী মানুষকে ভাগ করে দিতাম। কারণ, যে খাবারে একজন বেঁচে থাকতে পারে, তা দিয়ে দুইজন মানুষ ধ্বংস হতে পারে না।” (মান: সহীহ)
৫৬৩. হযরত সালামা ইবনুল আকওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ (একবার দুর্ভিক্ষের সময়) বলেছিলেন: “তোমাদের মধ্যে যারা কোরবানি করেছ, তিন দিনের বেশি সেই কোরবানির গোশত যেন কারো ঘরে না থাকে।” পরবর্তী বছর সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! গত বছরের মতো কি এবারও তিন দিনের বেশি রাখা যাবে না?” তিনি বললেন: “না, এখন তোমরা নিজেরাও খাও এবং জমিয়ে রাখো। গত বছর মানুষের অভাব ছিল বলে আমি চেয়েছিলাম তোমরা তাদের সাহায্য করো।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: অভিজ্ঞতা
৫৬৪. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন— তিনি বলেন: আমি আমীর মুয়াবিয়া (রা.)-এর কাছে বসা ছিলাম। তিনি মনে মনে কিছু একটা ভাবছিলেন, এরপর সচেতন হয়ে (উপস্থিতদের উদ্দেশ্য করে) বললেন: “অভিজ্ঞতা ছাড়া ধৈর্যশীল
