আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

দিরহাম দিয়ে কিছু খেজুর কিনলেন এবং তা নিজের কাপড়ের আঁচলে করে বহন করছিলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি (অথবা আমি) বলল, “হে আমীরুল মুমিনীন! আমি কি আপনার হয়ে এটি বহন করব?” তিনি বললেন: “না, পরিবারের প্রধানই তা বহন করার জন্য বেশি হকদার।” (মান: য‘ঈফ)

পরিচ্ছেদ: অহংকারের পরিণাম ও সংজ্ঞা

৫৫২. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন (হাদিসে কুদসী): “আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘মর্যাদা বা সম্মান হলো আমার লুঙ্গি (ইজার) এবং মহিমা বা অহংকার হলো আমার চাদর (রিদা)। যে ব্যক্তি এ দুটির কোনোটি নিয়ে আমার সাথে টানাটানি করবে (অর্থাৎ নিজেকে বড় ভাববে), আমি তাকে শাস্তি দেব।’” (মান: সহীহ)

 

৫৫৩. হযরত নুমান ইবনে বশীর (রা.) মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেন: “নিশ্চয়ই শয়তানের কিছু শিকারি ফাঁদ ও জাল রয়েছে। শয়তানের সেই ফাঁদগুলো হলো— আল্লাহর নেয়ামত পেয়ে দম্ভ করা, আল্লাহর দান নিয়ে গর্ব করা, আল্লাহর বান্দাদের ওপর অহংকার করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ ছেড়ে প্রবৃত্তির অনুসরণ করা।” (মান: হাসান মওকূফ)

 

৫৫৪. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “জান্নাত ও জাহান্নাম একে অপরের সাথে বিতর্ক করল। জাহান্নাম বলল, ‘আমার ভেতরে প্রতাপশালী ও অহংকারীরা প্রবেশ করবে।’ জান্নাত বলল, ‘আমার ভেতরে দুর্বল ও দরিদ্ররা প্রবেশ করবে।’ তখন আল্লাহ তাআলা জান্নাতকে বললেন, ‘তুমি আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা দয়া করব।’ আর জাহান্নামকে বললেন, ‘তুমি আমার আজাব, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেব। আর তোমাদের উভয়কে পূর্ণ করা হবে (উভয়ই অধিবাসী দিয়ে পূর্ণ হবে)।’” (মান: সহীহ)

৫৫৫. আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাহাবীগণ কঠোর মেজাজের বা নির্জীব (মৃতপ্রায়) লোক ছিলেন না। তাঁরা তাঁদের মজলিসে কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং জাহেলিয়াত যুগের নানা কাহিনী নিয়ে আলোচনা করতেন (স্মৃতিচারণ করতেন)। কিন্তু যখন তাঁদের কাউকে দ্বীনের কোনো বিষয়ে বা আল্লাহর হুকুম পালনের আহ্বান জানানো হতো, তখন তাঁর চোখের মণি এমনভাবে ঘুরতে থাকত যেন তিনি উন্মাদ হয়ে গেছেন (অর্থাৎ আল্লাহর ভয়ে ও হুকুম মানার তীব্রতায় তারা সম্পূর্ণ বদলে যেতেন)।” (মান: হাসান)

 

৫৫৬. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— এক সুশ্রী ব্যক্তি নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে বলল,

« <
/ 122
> »