আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

তোমার আরোগ্য প্রার্থনা করছি।

যদি তার মৃত্যুর সময় উপস্থিত না হয়ে থাকে, তবে সে তার সেই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করবে। (মান: সহীহ)

 

৫৩৭. রবী ইবনে আবদুল্লাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমি হাসান বসরী (রহ.)-এর সাথে কাতাদাহ (রহ.)-কে দেখতে গেলাম। তিনি তাঁর মাথার পাশে বসলেন এবং তাঁর কুশল জিজ্ঞেস করে দোয়া করলেন:

اللَّهُمَّ اشْفِ قَلْبَهُ، وَاشْفِ سَقَمَهُ

অর্থাৎ: হে আল্লাহ! আপনি তাঁর অন্তরকে প্রশান্ত করুন এবং তাঁর রোগ নিরাময় করুন)। (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: পরিবারকে সহায়তা

৫৩৮. আসওয়াদ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমি হযরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবীজী ﷺ ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন: “তিনি পরিবারের কাজে সহযোগিতা করতেন। আর যখন নামাজের সময় হতো, তখন তিনি নামাজের জন্য বেরিয়ে যেতেন।” (মান: সহীহ)

 

৫৩৯. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন— তিনি বলেন: আমি হযরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবীজী ﷺ তাঁর ঘরে কী কাজ করতেন? তিনি বললেন: “তিনি নিজের জুতো সেলাই করতেন এবং সাধারণ পুরুষেরা তাদের ঘরে যা যা করে তিনি তাই করতেন।” (মান: সহীহ)

 

৫৪০. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন— আমি আয়েশা (রা.)-কে একই প্রশ্ন করলে তিনি উত্তরে বলেছিলেন: “তোমাদের মধ্যে কেউ যেমন নিজের ঘরে কাজ করে, তিনিও তাই করতেন। তিনি নিজের জুতো মেরামত করতেন, কাপড়ে তালি দিতেন এবং কাপড় সেলাই করতেন।” (মান: সহীহ)

৫৪১. আমরাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত— হযরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘরে থাকাকালীন কী কাজ করতেন? তিনি বললেন: “তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের মতোই একজন মানুষ (বশরান মিনাল বশর)। তিনি নিজের কাপড়ের উকুন পরিষ্কার করতেন এবং নিজের বকরির দুধ দোহন করতেন।” (মান: সহীহ)

 

পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে ভালোবাসলে তাকে তা জানানো

৫৪২. হযরত মিকদাম ইবনে মাদি কারিব (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তোমাদের কেউ যখন তার কোনো ভাইকে ভালোবাসবে, সে যেন তাকে জানিয়ে দেয় যে সে তাকে ভালোবাসে।” (মান: সহীহ)

 

৫৪৩. মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: নবী করীম ﷺ-এর জনৈক সাহাবীর সাথে আমার দেখা হলো। তিনি পেছন থেকে আমার কাঁধ ধরলেন এবং বললেন, “জেনে রেখো, আমি

« <
/ 122
> »