তিনি দোয়া করলেন: “হে আল্লাহ! আমাদের কাছে মদীনাকে তেমনই প্রিয় করে দিন যেমন মক্কা প্রিয় ছিল, অথবা তার চেয়েও বেশি। মদীনার আবহাওয়াকে সুস্থ করে দিন, আমাদের সা’ ও মুদ-এ (পরিমাপ যন্ত্রে) বরকত দিন এবং এখানকার জ্বরকে সরিয়ে ‘জুহফা’ নামক স্থানে পাঠিয়ে দিন।” (মান: সহীহ)
৫২৬. ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এক বেদুইনকে দেখতে গেলেন। নবীজী ﷺ-এর নিয়ম ছিল যখনই কোনো রোগীকে দেখতে যেতেন, বলতেন: “ভয় নেই, (এই অসুস্থতা গুনাহ থেকে) পবিত্রকারী হবে ইনশাআল্লাহ (লা বা’সা তাহুরুন ইনশাআল্লাহ)।” সেই বেদুইন বলল, “আপনি একে পবিত্রকারী বলছেন? মোটেও না! বরং এটি এক টগবগে জ্বর যা এক বৃদ্ধ মানুষকে আক্রমণ করেছে এবং তাকে কবরের দিকে নিয়ে যাবে।” নবীজী ﷺ বললেন: “তবে তা-ই হোক।” (মান: সহীহ)
৫২৭. নাফে’ (রহ.) থেকে বর্ণিত— হযরত ইবনে উমর (রা.) যখন কোনো রোগীকে দেখতে যেতেন, তাকে জিজ্ঞেস করতেন, “কেমন আছ?” যখন সেখান থেকে উঠে আসতেন, তখন শুধু এটুকুই বলতেন: “আল্লাহ তোমার জন্য কল্যাণ নির্ধারণ করুন (খারাল্লাহু লাকা)।” এর বেশি কিছু বলতেন না। (মান: য‘ঈফ)
পরিচ্ছেদ: রোগী যা উত্তর দিবে
৫২৮. ইসহাক ইবনে সাঈদ (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন— (অত্যাচারী শাসক) হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ হযরত ইবনে উমর (রা.)-কে দেখতে আসলেন। আমি তখন তাঁর কাছেই ছিলাম। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলেন, “তিনি কেমন আছেন?” ইবনে উমর (রা.) বললেন, “ভালো আছি ।” হাজ্জাজ আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কে আপনাকে আহত করেছে?” তিনি বললেন: “আমাকে সেই ব্যক্তি আহত করেছে যে এমন দিনে অস্ত্র বহনের নির্দেশ দিয়েছে যেদিন অস্ত্র বহন করা বৈধ নয় (অর্থাৎ হাজ্জাজ নিজে)।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: পাপাচারী রোগীকে দেখা এবং নারী কর্তৃক পুরুষ রোগীকে দেখা
৫২৯. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “মদ্যপায়ীরা অসুস্থ হলে তাদের দেখতে যেয়ো না।” (মান: য‘ঈফ)
৫৩০. আল-হারিস ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমি (সাহাবী আবুদ্দারদা রা.-এর স্ত্রী) উম্মে দারদা (রা.)-কে তাঁর সওয়ারির ওপর কাঠের আসনে বসা অবস্থায় দেখলাম; তাতে কোনো পর্দা বা আবরণ ছিল না। তিনি মসজিদের এক আনসারী ব্যক্তিকে দেখতে যাচ্ছিলেন। (মান: য‘ঈফ)
পরিচ্ছেদ: রোগী দেখতে গিয়ে ঘরের নারীর দিকে তাকিয়ে থাকা
৫৩১. আবদুল্লাহ ইবনে আবিল হুজাইল (রহ.) থেকে বর্ণিত—
