আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

নতুন কাপড়ও নেই।” (মান: হাসান)

 

পরিচ্ছেদ: কোমলতার প্রতিদান

৪৭২. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ কোমল, তিনি কোমলতা পছন্দ করেন। কঠোরতার পরিবর্তে তিনি কোমলতার ওপর এমন প্রতিদান দেন যা অন্য কিছুতে দেন না।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: প্রশান্তি প্রদান

৪৭৩. হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তোমরা (মানুষের জন্য বিষয়গুলো) সহজ করো, কঠিন করো না; এবং মানুষকে শান্ত করো (আশ্বস্ত করো), তাদের দূরে সরিয়ে দিয়ো না (বিদ্বেষ সৃষ্টি করো না)।” (মান: সহীহ)

 

৪৭৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত— বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির ঘরে মেহমান আসলো। তাদের একটি কুকুর ছিল। বাড়ির লোকেরা কুকুরটিকে বলল, “হে কুকুর! আমাদের মেহমানের ওপর ঘেউ ঘেউ করো না।” তখন তার পেটের ভেতর থাকা বাচ্চারা চিৎকার শুরু করল। তারা তাদের নবীর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: “এর উদাহরণ হলো তোমাদের পরবর্তী এক উম্মতের মতো, যাদের মূর্খরা তাদের আলেমদের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করবে (অর্থাৎ যোগ্য লোকের কণ্ঠ রোধ করা হবে আর অযোগ্যরা শোরগোল করবে)।” (মান: য‘ঈফ)

পরিচ্ছেদ: রূঢ়তা বা কর্কশ স্বভাব

৪৭৫. হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত— আমি একবার একটি অবাধ্য উটের ওপর আরোহী ছিলাম। তখন আমি সেটিকে শান্ত করতে আঘাত করতে লাগলাম। এমতাবস্থায় নবী (সা.) বললেন—“তুমি কোমলতা অবলম্বন করো। কেননা কোনো জিনিসের মধ্যে যখন কোমলতা থাকে, তখন তা তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে। আর কোনো জিনিস থেকে যখন কোমলতা কেড়ে নেওয়া হয়, তখন তা তাকে ত্রুটিযুক্ত ও কুৎসিত করে দেয়।” (মান: সহীহ)

৪৭৬. জাবের বা জুওয়াইবার নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত— জাবির বা জুওয়াইবির নামক এক ব্যক্তি বলেছেন—

আমি ‘উমর (রা.)-এর খিলাফতকালে তাঁর কাছে কোনো এক প্রয়োজনে আবেদন করতে চাইলাম। আমি রাতে মদীনা পৌঁছে সকালে তাঁর কাছে উপস্থিত হলাম। আমাকে বেশ বুদ্ধিমত্তা ও বাগ্মিতা (বা ভাষা ও বাচনভঙ্গি) দান করা হয়েছিল। আমি পার্থিব জগতের প্রসঙ্গ তুলে ধরলাম এবং এর হীনতা ও অসারতা বর্ণনা করে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেলাম যেন এর কোনোই মূল্য নেই। তাঁর পাশেই সাদা চুল ও সাদা পোশাক পরিহিত একজন লোক বসা ছিলেন। আমার কথা শেষ হলে

« <
/ 122
> »