পাপাচারপূর্ণ সম্পর্কের পথ প্রশস্ত করতে পারে।
স্ত্রীর জন্য নসিহত ও কণ্ঠের জাদুকরী শক্তি
নারীর কণ্ঠস্বরে যদি এমন জাদুকরী প্রভাব থাকে, তবে একজন স্ত্রীর উচিত তার সেই সবটুকু মাধুর্য ও লাবণ্য কেবল তার স্বামীর জন্য সঞ্চিত রাখা। এই কোমলতাই পারে অবলীলায় স্বামীর হৃদয়ে একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম করতে। আরব কবিরা নারীর কণ্ঠস্বরের এই মোহনীয়তা বর্ণনায় যে অতুলনীয় উপমাগুলো ব্যবহার করেছেন, তা শুনলে যে কেউ বিমুগ্ধ হবে। স্ত্রীরা যেন তাঁদের এই বিশেষ শক্তিটি সম্পর্কে সচেতন হন এবং দাম্পত্য জীবনের ছোটখাটো জটিলতা নিরসনে তা কাজে লাগান:
বাশশার বলেন— “তার কথাগুলো যেন বাগানের একেকটি টুকরো, যেখানে মিশে আছে স্বর্ণ আর রুপার চমক।”
আল-ক্বাতামী বলেন— “তাদের একেকটি কথা তৃষ্ণার্ত মানুষের তপ্ত হৃদয়ে শীতল পানির পরশের মতো গিয়ে লাগে।”
জনৈক কবি বলেন— “সালমা যখন আমার সাথে কথা বলে, মনে হয় কোনো মুক্তার মালা ছিঁড়ে গিয়ে তার দানাগুলো ঝরে ঝরে পড়ছে।”
অন্য এক কবি এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর উপমা দিয়ে বলেন— “তার কথাগুলো যদি কোনো কাঁচা মাংসের ওপর রাখা হতো, তবে সেই কথার তাপে মাংসটিও সেদ্ধ হয়ে যেত!” অর্থাৎ তার কথার আবেদন ও উত্তাপ এতটাই প্রবল।
আরও একজন বলেন— “তার কণ্ঠের প্রতিটি শব্দ যেন নেশাতুর শরবত।”
অন্য এক কবির মতে— “তার জিহ্বার নিচে যেন হারুত (জাদুকর) বাস করে, যে জাদুর ফু দিচ্ছে; আর তার কথার রেশ যেন ফুলের চাদরে ঢাকা বসন্তের বাগান।”
সুতরাং, হে মুসলিম নারী! আপনার এই স্রষ্টাপ্রদত্ত নেয়ামতকে অপাত্রে ব্যয় করবেন না। পরপুরুষের সামনে আপনার কণ্ঠ হোক বজ্রের মতো গম্ভীর ও ইনসাফপূর্ণ, আর স্বামীর সামনে তা হোক বসন্তের বাতাসের মতো স্নিগ্ধ ও প্রেমময়।
বাসর রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রভাব
বাসর রাত কেবল মিলনের রাত নয়, এটি দুটি হৃদয়ের সেতুবন্ধন তৈরির প্রথম সুযোগ। এই মুহূর্তে একটি ভুল কথা যেমন সারা জীবনের আক্ষেপ হয়ে দাঁড়াতে পারে, তেমনি একটি চতুর ও মিষ্টি কথা কুৎসিত অবয়বকেও মোহনীয় করে তুলতে পারে। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত বিনতুল জুন-এর ঘটনাটি আমাদের জন্য এক বিরাট শিক্ষা।
বিনতুল জুন-এর ঘটনা: একটি ভুল কথার পরিণাম
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন জুন-এর কন্যাকে (বিনতুল জুন) রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট পাঠানো হলো এবং তিনি
