তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

বুঝতে পেরেছে যে পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কের আনন্দ কেবল সন্তান জন্মদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, সেদিন থেকেই পুরুষের প্রিয় বিনোদনের তালিকায় ‘ঘোড়দৌড়’ দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে এবং ‘আদম ও হাওয়ার খেলা’ অর্থাৎ দাম্পত্য সান্নিধ্য দখল করে নিয়েছে প্রথম স্থান। সেই গৌরবময় ইতিহাস থেকে আজ অবধি মানবজাতির সৌভাগ্যবশত তা শীর্ষস্থানটিই ধরে রেখেছে!
অবশ্য এটি কেবল আমার কথা নয়; চিকিৎসক, সার্জন ও মনোবিজ্ঞানীদেরও অভিমত। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, সঠিক ও সুন্দর শারীরিক সম্পর্ক নারী ও পুরুষ উভয়কেই এমন এক আত্মিক ও মানসিক রসদ জোগায় যা তাঁদের প্রশান্তি দেয়। এটি শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং ক্ষণিকের জন্য হলেও দুনিয়ার সব দুশ্চিন্তা ভুলিয়ে দেয়। এতে সুগভীর ও শান্তিময় ঘুম হয়, যা দীর্ঘকাল যৌবন ও লাবণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এই শারীরিক সক্রিয়তা ভালোবাসার পূর্ণতা দেয়।
এই সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো—এটি সম্পন্ন করতে দুজনকে লাগে। যদি আপনার পছন্দ সঠিক হয়, তবে আপনার সঙ্গী এমন এক পুরুষ হবেন যিনি আপনার গুণমুগ্ধ এবং আপনাকে ততটাই তৃপ্ত করতে চাইবেন যতটা আপনি তাঁকে করেন। তিনি জানেন যে, ভালোবাসা মানেই হলো আদান-প্রদান। এটিই হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বাস্তবে কি তা হচ্ছে? সম্ভবত না। আর এই ব্যর্থতার জন্য আপনিই প্রথম দায়ী। কারণ দাম্পত্যের ছন্দ ও মেলবন্ধনই নারীত্বের প্রধান লক্ষ্য ও সাধনা হওয়া উচিত। এটি অর্জনে আপনাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”
একজন পশ্চিমা নারীর এই পর্যবেক্ষণ আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। তিনি স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন যে, দাম্পত্য সান্নিধ্য পুরুষের শ্রেষ্ঠ বিনোদন এবং নারীর জন্য এটাই হওয়া উচিত তার প্রধান সাধনা। অথচ আজকের যুগের অনেক নারী এই মৌলিক সত্যটি ভুলে গিয়ে বাহ্যিক সাজসজ্জা ও ফ্যাশনকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে ফেলেছেন।
পরিবারের সাথে সময় কাটানো: সন্তানদের অধিকার
হাদীসে বর্ণিত ‘পরিবার’র সংজ্ঞায় সন্তানরাও অন্তর্ভুক্ত। তাই একজন পুরুষের উচিত সন্তানদের সাথেও খেলাধুলা ও কৌতুক করা, যাতে তাঁদের শরীর মজবুত হয় এবং সবার মনে আনন্দের সঞ্চার হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও শিশুদের সাথে খেলাধুলা করতেন এবং তাদের কোলে তুলে আদর করতেন। এটি আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।
অবসর সময়ের অপচয়: এক করুণ চিত্র
ইতিপূর্বেও আমরা এ সংক্রান্ত হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছি। অবসর সময়ের প্রসঙ্গ আসায় এখানে তার পুনরাবৃত্তি করছি। হাদীসটিতে

« <
/ 351
> »