করবেন। মূলত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতিটি ছোট-বড় নির্দেশের সামনে কোনো রকম দ্বিধা, সংকোচ কিংবা শর্ত ছাড়াই নিজেকে সঁপে দেওয়াই হলো একজন মুসলিমের ঈমানের আসল কশাঘাত বা কষ্টিপাথর:
لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يَكُونَ هَوَاهُ تَبَعًا لِمَا جِئْتُ بِهِ
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তির কামনা আমার আনা দ্বীনের অনুগামী হয়।” [নববী, আল-আরবাঊন]
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
“অতএব তোমার রবের কসম! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের মধ্যকার বিবাদমান বিষয়ে তোমাকে বিচারক মানবে, অত:পর তুমি যে ফয়সালা করবে সে ব্যাপারে তাদের মনে কোনো দ্বিধা থাকবে না এবং তারা তা পূর্ণরূপে মেনে নেবে।” [সূরাহ আন-নিসা: ৬৫]
এটিই হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের হুকুমের সামনে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ এবং পূর্ণাঙ্গ আনুগত্য। এই আনুগত্য ও আত্মসমর্পণ ব্যতিরেকে ঈমান ও ইসলাম পূর্ণতা পায় না। ফলশ্রুতিতে একজন প্রকৃত মুসলিমের জীবনে আল্লাহর হেদায়েত থেকে বিচ্যুতি কিংবা রাসুলের নির্দেশের অবাধ্যতার কোনো স্থান নেই। এটি কেবল তার ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং তার পরিবার এবং যাদের ওপর তার অভিভাবকত্ব ও দায়িত্ব রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।
অধীনস্থদের ব্যাপারে দায়িত্ব সচেতনতা
একজন মুসলিমের পরিবারের কোনো সদস্য যদি আল্লাহর হক পালনে অবহেলা করে কিংবা কোনো গুনাহে লিপ্ত হয়, তবে তার দায়ভার গৃহকর্তার ওপরও বর্তায়। সে নিজেকে এই দায়িত্ব থেকে মুক্ত করতে পারে না:
كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই একেকজন দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
পরিবারের কোনো সদস্যের
