আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

নিজের চোখের সামনে স্ত্রী-কন্যা বা বোনকে নগ্ন বা অর্ধনগ্ন অবস্থায় রাস্তায় বের হতে দেখেও নীরব থাকে, সে মূলত তাঁর পৌরুষ ও ইসলামি চেতনা হারিয়ে ফেলেছে। এ ধরনের ভয়াবহ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো খাঁটি তাওবাহ।
ইসলাম নারীর জন্য পর্দার যে বিধান বা ‘হিজাব’ নির্ধারণ করেছে, তা কোনো পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য নয়, বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক পবিত্র আদেশ। একজন প্রকৃত মুসলিম নারী অত্যন্ত আনন্দ ও তৃপ্তির সাথে এটি গ্রহণ করেন। উম্মুল মুমিনীন আইশাহ (রা.) আনসারী নারীদের ঈমান ও আনুগত্যের প্রশংসা করে বলেছেন—
“আল্লাহ প্রথম যুগের মুহাজির নারীদের ওপর রহম করুন। যখন আয়াত নাযিল হলো— ‘তারা যেন তাঁদের মাথার ওড়না দিয়ে তাঁদের বুক ঢেকে রাখে’, তখন তাঁরা তাঁদের চাদর ছিঁড়ে তা দিয়ে ওড়না বানিয়ে মাথা ও বুক ঢেকে ফেললেন।” অন্য এক বর্ণনায় এসেছে— “পবিত্র কুরআনের এই নির্দেশ শুনে আনসারী পুরুষরা যখন তাঁদের স্ত্রী, কন্যা ও বোনদের কাছে গিয়ে এই আয়াত তিলাওয়াত করে শোনালেন, তখন তাঁদের একজন নারীও বাকি ছিলেন না যিনি তৎক্ষণাৎ নিজের চাদর দিয়ে নিজেকে আবৃত করেননি। পরদিন সকালে তাঁরা যখন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পেছনে সালাত আদায় করতে এলেন, তখন তাঁদের এমনভাবে আবৃত দেখাচ্ছিল যেন তাঁদের মাথায় কালো দাঁড়কাক বসে আছে।” [সহীহ বুখারী]
আনসারী নারীদের ঈমান কতই না মজবুত ছিল! প্রতিটি মুমিন নারীর উচিত তাঁদের এই আদর্শ অনুসরণ করা। আজ আধুনিকতার নামে যে নগ্নতা ও বেহায়াপনা চলছে, তাঁর ভিড়ে একজন মুসলিম তরুণী যখন হিজাব আঁকড়ে ধরে, তখন সেটিই তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব। দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুসলিম ছাত্রীকে যখন একজন সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, এই প্রচণ্ড গরমে হিজাব পরে থাকতে তাঁর কষ্ট হয় কি না, তখন সেই সচেতন তরুণী উত্তর দিয়েছিলেন— ﴿قُلْ نَارُ

« <
/ 87
> »