আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

মুসলিম স্বামী সর্বদা স্ত্রীর জ্ঞান বা আচরণের কোনো কমতি থাকলে তা পূরণ করার চেষ্টা করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি সবচেয়ে কার্যকর, কোমল ও বুদ্ধিদীপ্ত পথ বেছে নেন। যদি তিনি স্ত্রীর মাঝে অবাধ্যতা বা বিপথগামী হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখেন, তবে অত্যন্ত ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সাথে তাঁকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনেন। তিনি কোনো অবস্থাতেই মানুষের সামনে স্ত্রীকে তিরস্কার বা ভর্ৎসনা করেন না; কারণ একজন নারীর কাছে এর চেয়ে বড় যন্ত্রণার আর কিছু নেই যে, অন্য কেউ তাঁর দোষারোপ শুনছে বা তাঁকে অপমানিত হতে দেখছে। একজন ধর্মভীরু ও সচেতন মুসলিম অত্যন্ত সংবেদনশীল হৃদয়ের অধিকারী হন এবং অন্যের অনুভূতির মূল্যায়ন করতে সবচেয়ে বেশি জানেন।
মায়ের সেবা ও স্ত্রীর সন্তুষ্টির মাঝে ভারসাম্য রক্ষা:
একজন আদর্শ ও সচেতন মুসলিম স্বামী জানেন কীভাবে তাঁর মা এবং স্ত্রীর অধিকারের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। তিনি নিজের বুদ্ধিমত্তা, ব্যক্তিত্ব ও সহনশীলতা ব্যবহার করে উভয়ের সাথে এমন আচরণ করেন যেন কারো প্রতি জুলুম না হয়। তিনি একদিকে যেমন মায়ের অবাধ্য হন না, অন্যদিকে স্ত্রীর ওপরও কোনো অন্যায় করেন না। তিনি মায়ের অধিকার সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন থেকে তাঁর সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করেন; আবার স্ত্রীর অধিকার সম্পর্কেও সজাগ থাকেন যেন মায়ের সেবা করতে গিয়ে স্ত্রীর কোনো হক নষ্ট না হয়। একজন সত্যনিষ্ঠ ও বুদ্ধিমান মুসলিমের পক্ষে এটি করা সম্ভব—যদি তিনি তাকওয়া ও ইসলামের সেই সুমহান নৈতিকতায় বলীয়ান হন, যা মা ও স্ত্রী প্রত্যেককে তাঁর সঠিক স্থানে আসীন করেছে।
নারীর ওপর উত্তম অভিভাবকত্ব:
এই সুউচ্চ চরিত্র এবং সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমেই একজন মুসলিম স্বামী তাঁর স্ত্রীর হৃদয় জয় করেন; ফলে স্ত্রী তাঁর কোনো অবাধ্যতা করেন না। এ কারণেই দ্বীনদার পুরুষকে নারীর ওপর ‘ক্বাওয়াম’ বা অভিভাবক

« <
/ 87
> »