আদর্শ মুসলিম

« <
/ 87
> »

সাথে কথা বলা বন্ধ রাখেন!’ আমি এ কথা শুনে ঘাবড়ে গেলাম এবং হাফসা (রা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম— ‘তুমি কি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথার প্রতিবাদ করো?’ সে বলল— ‘হ্যাঁ’। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম— ‘তোমাদের কেউ কি সারাদিন রাত পর্যন্ত তাঁর সাথে কথা বলা বন্ধ রাখো?’ সে বলল— ‘হ্যাঁ’। তখন আমি বললাম— ‘তোমাদের মধ্যে যে এমনটি করবে সে তো ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে! তোমাদের কেউ কি এই ভয় করো না যে, রাসূলের রাগের কারণে আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত হবেন আর সে ধ্বংস হয়ে যাবে? খবরদার! তুমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথার অবাধ্য হয়ো না এবং তাঁকে কোনো কিছুর জন্য চাপ দিয়ো না; তোমার যা প্রয়োজন আমাকে বলো’।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম]
উমর (রা.) যখন নবী (সা.)-এর কাছে এসে হাফসার সাথে তাঁর এই কথোপকথনের কথা বর্ণনা করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সা.) রাগান্বিত না হয়ে কেবল মুচকি হাসলেন।
একজন মুসলিমের উচিত এমন সুউচ্চ ও মহৎ চরিত্রের অধিকারী হওয়া, যেন তিনি তাঁর প্রতিটি কাজে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারেন। এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হবে যে, ইসলাম কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং এটি একটি উন্নত সামাজিক জীবনব্যবস্থা। আজ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে যে দুঃখ, বিচ্ছেদ, অস্থিরতা ও অশান্তি আমরা দেখি—তার একমাত্র কারণ হলো মানুষ ইসলামের এই সুমহান মূল্যবোধগুলো থেকে দূরে সরে গেছে। তারা এই আদর্শ সম্পর্কে আজ অজ্ঞ। অথচ এই অমূল্য নৈতিক গুণাবলী যদি স্বামীদের মাঝে থাকত, তবে পরিবার থেকে ঝগড়া ও বিবাদ চিরতরে বিদায় নিত; আর প্রতিটি ঘর সুখ, প্রশান্তি ও স্থিতিশীলতার এক স্বর্গে পরিণত হতো।
সফলতম স্বামী:
এই বিশেষ গুণাবলীর কারণেই একজন সচেতন মুসলিম স্বামী সামাজিক জীবনে সবচেয়ে সফল স্বামী হিসেবে গণ্য হন। তিনি সতী-সাধ্বী

« <
/ 87
> »