করার পালা নির্ধারণ করে দিয়ে সতর্ক করলেন যেন কেউ এর কোনো ক্ষতি না করে।
আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে উটনীর আগমন
সালেহ (সা.) উটনীটিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিদর্শন হিসেবে তাঁদের সামনে পেশ করলেন।
وَيَا قَوْمِ هَٰذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ لَكُمْ آيَةً فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ قَرِيبٌ
“আর হে আমার কওম! এটি আল্লাহর উটনী, যা তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন; সুতরাং একে আল্লাহর জমিনে চরে খেতে দাও এবং একে কোনো কষ্ট দিয়ো না; নতুবা শীঘ্রই তোমাদেরকে আযাব গ্রাস করবে।” [সূরাহ হূদ: ৬৪]
পানি পানের পালা নির্ধারণ
উটনীটি ছিল বিশাল, তাই আল্লাহ তার জন্য এবং কওমের জন্য আলাদা আলাদা দিনে পানি পানের নিয়ম করে দিয়েছিলেন।
قَالَ هَٰذِهِ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ
“সালেহ বলল—‘এটি একটি উটনী; এর জন্য রয়েছে পানি পানের এক পালা এবং তোমাদের জন্য রয়েছে পানি পানের পালা এক নির্ধারিত দিনে’।” [সূরাহ আশ-শুয়ারা: ১৫৫]
অলৌকিক উটনীর দুধ ও নেয়ামত
ঐতিহাসিক বর্ণনা ও হাদীসের আলোকে জানা যায় যে, যেদিন উটনীটি পানি পান করত, সেদিন সে পুরো জাতির জন্য প্রচুর দুধ প্রদান করত।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: «لَمَّا مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحِجْرِ… قَالَ: هَذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ، كَانَتْ تَرِدُ مِنْ هَذَا الْفَجِّ، فَإِذَا كَانَ يَوْمُهَا شَرِبَتْ مَاءَهُمْ كُلَّهُ، وَحَلَبُوا مِنْ لَبَنِهَا مِثْلَ مَا كَانُوا يَشْرَبُونَ»
“জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—‘যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজর এলাকা অতিক্রম করছিলেন… তখন তিনি বলেছিলেন: এটি আল্লাহর উটনী, একে আল্লাহর জমিনে চরে খেতে দাও। এটি এই গিরিপথ দিয়ে পানি পান করতে আসত। যেদিন তার পানের পালা হতো সেদিন সে তাঁদের সব পানি পান করে ফেলত, আর তারা তার দুধ থেকে ততটাই দোহন করত যতটা তারা পানি পান করত’।” [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ১৪৭৭৮; আল-মুস্তাদরাক]
অবাধ্য না হওয়ার জন্য চূড়ান্ত সতর্কবাণী
সালেহ (সা.) তাঁদেরকে ভালোবেসে বারবার বোঝালেন যেন নিছক হঠকারিতা বশত এই মু‘জিযাকে অস্বীকার বা ধ্বংস না করা হয়।
وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ
“আর তোমরা একে কোনো কষ্ট দিয়ো না; নতুবা তোমাদের ওপর এক মহাদিবসের
