মহান ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা গ্রহণ করবে কি না।
وَلَقَد تَّرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
“আর অবশ্যই আমি একে (এই ঘটনা বা কিশতীকে) এক নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?” [সূরাহ আল-ক্বামার: ১৫]
নূহ (সা.)-এর মর্যাদা ও কিয়ামতের সাক্ষ্য
রাসূলুল্লাহ (সা.) নূহ (সা.)-এর সুদীর্ঘ দাওয়াতের গুরুত্ব উম্মতকে জানিয়েছেন, যা কিয়ামতের দিন মুমিনদের জন্য এক বিশেষ মর্যাদার কারণ হবে।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «…فَتَشْهَدُونَ لَهُ بِالْبَلَاغِ، وَذَلِكَ قَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ: {وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ}»
“আবূ সা‘ঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ‘…অতঃপর তোমরা (উম্মতে মুহাম্মাদী) তাঁর (নূহ এর) বাণী পৌঁছে দেওয়ার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। আর এটিই আল্লাহর এই বাণীর মর্ম—{আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে এক মধ্যপন্থী জাতি বানিয়েছি যেন তোমরা মানুষের ওপর সাক্ষী হতে পারো}’।” [সহীহুল বুখারী, হাদীস: ৪৪৮৭; সূরাহ আল-বাক্বারাহ: ১৪৩]
অধ্যায়ের শিক্ষা:
ধৈর্যের ফল: নূহ (সা.) সাড়ে নয়শো বছর সবর করেছিলেন, ফলশ্রুতিতে আল্লাহ তাঁকে এবং তাঁর অনুসারীদের রক্ষা করেছেন এবং জালিমদের নির্মূল করেছেন।
শিরকের ভয়াবহতা: পৃথিবীতে প্রথম আযাব এসেছিল শিরক বা মূর্তিপূজার কারণে। এটি প্রমাণ করে যে আল্লাহ শিরকের গুনাহ সহ্য করেন না।
উপায়ের ওপর ভরসা নয়: কিশতী কেবল একটি মাধ্যম ছিল, প্রকৃত রক্ষাকারী ছিলেন আল্লাহ। আমাদেরও জাগতিক উপকরণের চেয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা বেশি করতে হবে।
তাওবাহর সময়: যখন আযাব চলে আসে, তখন আর তওবাহ কবুল হয় না। তাই সময় থাকতেই আল্লাহর পথে ফিরে আসা জরুরি।
পারিবারিক দায়িত্ব: নূহ (সা.) শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর সন্তানকে ডাকার মাধ্যমে শিখিয়েছেন যে, পরিবারের হেদায়েতের জন্য চেষ্টা করা একজন মুমিনের প্রধান দায়িত্ব।
ইতিহাস থেকে শিক্ষা: নূহ (সা.)-এর কিশতী বা এই ঘটনা কেবল পড়ার জন্য নয়, বরং আমাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় ও আনুগত্য বৃদ্ধি করার জন্য।
নবী ইদ্রীস (আ.) ছিলেন মানবজাতির ইতিহাসের অত্যন্ত মর্যাদাবান একজন নবী। শীষ (আ.)-এর পর এবং নূহ (আ.)-এর পূর্বে তিনি নবুওয়াত লাভ করেছিলেন। আপনার নির্দেশিত কাঠামো এবং সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী ‘ইদ্রীস (আ.)’ এর জীবনী নিচে উপস্থাপন করছি।
ইদ্রীস (আ.)
ইদ্রীস (আ.) ছিলেন সত্যবাদিতা ও ধৈর্যের এক মূর্ত প্রতীক। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা
